× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



শেখ হাসিনার ট্রেনে গুলিবর্ষণ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৭ পলাতক আসামীর আত্মসমর্পণ

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ
শেখ হাসিনার ট্রেনে গুলিবর্ষণ মামলা, সাজাপ্রাপ্ত ৭ পলাতক আসামীর আত্মসমর্পন 
ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ৭ আসামী আদালতে আত্মসমর্পন করেছেন। আজ রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে পাবনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করেন। 

পাবনার সরকারী কৌশুলী আকতারুজ্জামান মুক্তা জানান, গত জুলাই ওই মামলার রায়ে জনের মৃত্যুদন্ড ২৫ জনের যাবজ্জীবনসহ ১৩ জনের দশ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেন পাবনার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোস্তম আলী। 

মমলায় পলাতক ১৩ আসামীর মধ্যে জন রবিবার আত্মসমর্পন করলেন। তাদের মধ্যে জন যাবজ্জীবন এবং ৩জন ১০ বছর করে কারাদন্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামী রয়েছেন। 

আত্মসমর্পনকারী সাত আসামীরা হলো: যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত ঈশ্বরদী পিয়ারাখালী গ্রামের আছির উদ্দিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম, পশ্চিমটেংরী ব্লাকপাড়ার আব্দুল গফুর গার্ডের ছেলে মো: রবি, একই গ্রামের জালাল গার্ডের ছেলে মামুন, যুক্তিতলা গ্রামের জয়েন উদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ। এবং দশ বছর কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলো পশ্চিমটেংরী বাবুপাড়া গ্রামের মহসীন রিয়াজীর ছেলে রনো, মিরকামারী গ্রামের জামাত আলী সরকারের ছেলে চাঁদ আলী, চরসাহাপুর গ্রামের মতিউর রহমান সরদারের ছেলে হুমায়ুন কবির। আত্মসমপর্ণের পর আদালত তাদের কারাগারে প্রেরণ করেন। 

প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাওয়ার পথে ঈশ্বরদী স্টেশনে যাত্রাবিরতি পথসভার করার কথা ছিল। শেখ হাসিনার বহনকারী ট্রেনটি ঈশ্বরদী ষ্টেশনে পৌছিলে বিএনপি নেতাকর্মীরা ট্রেন তার কামরা লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ বোমা নিক্ষেপ করে। ঘটনায় ওই সময়ে জিআরপি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে সিআইডি মামলাটি পুনতদন্ত করে। তদন্ত শেষে নতুন করে ঈশ্বরদীর বিএনপি, যুবদল ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ৫২ জনকে এই মামলায় আসামি করা হয়। পরে সিআইডির তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলা নম্বর এসটি ৪২/৯৭। দীর্ঘ ২৫ বছর পর গত জুলাই এই মামলার রায় ঘোষণা করে আদালত 

কোন মন্তব্য নেই