× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



রেলক্রসিংয়ে বিয়ের গাড়িতে ট্রেনের ধাক্কা, বর-কনেসহ নিহত ১১

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় ট্রেনের সঙ্গে বরবাহী মাইক্রোবাসের ধাক্কার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। 
এর আগে ওই দুর্ঘটানয় ঘটনাস্থলেই বর-কনেসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার সলপ রেলওয়ে স্টেশনের কাছে পঞ্চক্রোশী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।  
নিহতদের মধ্যে ৬ জনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন- সদর উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাব মণ্ডলের ছেলে বর রাজন মণ্ডল (২৪), কনে সুমাইয়া খাতুন (১৯), টুটুল আহমেদ(১৮), খোকন মণ্ডল (২২), সুমন সরকার (২৪), চালক স্বাধীন (৫০), আজম (২২)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদশীরা জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কান্দাপারা গ্রামের আলতাফ মণ্ডল তার ছেলে রাজন মণ্ডলের বিয়ের বর যাত্রী নিয়ে সোমবার দুপুরে উল্লপাড়া উপজেলার ঘাটিনা গ্রামে গিয়ে ছিলেন। দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যায় বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে সিরাজগঞ্জ রাজশাহী রেল পথের সলপ রেল ক্রসিং অতিক্রম করার সময় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বর রাজন মণ্ডল এবং কনেসহ মাইক্রোবাসের  ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও তিন যাত্রী। পরে দমকল বাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে। জানা গেছে সলপ রেল ক্রসিংটিতে কোন লোক ছিল না।  
উল্লাপাড়া মডেল থানার ভখারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেওয়ান কউশিক আহমেদ ও সলপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শওকত ওসমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন নিহতদের মরদেহদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত অপর তিন যাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


অরক্ষিত রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং-এর কারণেই এ দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন উল্লাপাড়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. গোলাম মোস্তফা। তিনি জানান, উন্মুক্ত লেভেল ক্রসিং পারাপার হওয়ার সময় বিয়ের গাড়িবহরের একটি মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন মারা যান। রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং-এ কোনও ব্যারিয়ার বা বার্জ ছিল না। এমনকি সেখানে রেল বিভাগের কোনও পাহারাও ছিল না। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।


পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগের পাকশীর বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মিজানুর রহমান জানান, এটা রেল বিভাগের নির্ধারিত কোনও লেভেল ক্রসিং নয়। স্থানীয় লোকজন নিজেদের স্বার্থে চলাচলের জন্য সেখানে উন্মুক্ত রেখেছে। দুর্ঘটনার পর দেড়ঘণ্টা দেরিতে ট্রেনটি ছেড়ে ঢাকার দিকে গেছে।

কোন মন্তব্য নেই