× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও পথসভা

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদক- 
জাতীয় দিবসে সরকার ঘোষিত আইন অনুযায়ী স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর চরমিরকামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উদযাপনের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল এর কিছুক্ষণ পর ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান মিন্টুকে অতিথি হিসেবে এনে মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তোলিত পতাকা নামিয়ে পুনরায় উত্তোলন করে। এতে মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই প্রতিবাদে গতকাল বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

পথসভায় বক্তব্য দেন মানবতাবিরোধী মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের স্বাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ফান্টু, সলিমপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জামাত আলী, এলাকার বিশিষ্টজন ও মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ বিশ্বাস, জাকাত আলী মন্ডল, ফজলুল করিম ডাবলু প্রমুখ। 

এ ছাড়াও প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে বক্তব্য দেন সলিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সভাপতি আব্দুল মজিদ বাবলু মালিথা, সাধারণ সম্পাদক এম. এ কাদের, কৃষকলীগ ঈশ্বরদী উপজেলা কমিটির সভাপতি ফজলুল হক মালিথা, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ কিরণ, সলিমপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগ সভাপতি আবুল কালাম সরদার, সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক স্বপন, যুবলীগ নেতা আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন সলিমপুরের চরমিরকামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনের শুরুতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এর কিছুক্ষণ পর ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মকলেছুর রহমান মিন্টুকে অতিথি হিসেবে এনে মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তোলিত জাতীয় পতাকা ওপর থেকে নিচে নামিয়ে পুনরায় পতাকা উত্তোলন করে। এতে মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং প্রধান শিক্ষক ও আওয়ামী লীগ নেতাকে ঘেরাও করে গণপিঠুনির শিকার হন। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে। এরই প্রতিবাদে গতকাল বুধবার মানববন্ধন ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় মুক্তিযোদ্ধা ও বক্তারা জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করার দায়ে মোস্তফা কামাল লিটনকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে অপসারণ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং বিদ্যালয়ে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধের দাবি জানান।

কোন মন্তব্য নেই