× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদী সোনালী ব্যাংক থেকে দুই লাখ টাকা উধাও,সিসি ক্যামেরা নষ্ট

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ
সোনালী ব্যাংক ঈশ্বরদী শাখায়  ডিডি (ডিমান্ড ড্রাফট) করতে গিয়ে  ঈশ্বরদীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মসলেম এন্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী মসলেম উদ্দিনের দুই লাখ টাকা খোয়া গেছে। আজ রবিবার (২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় সোনালী ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টারে এ ঘটনা ঘটে। সিরাজগঞ্জ বিএডিসি (বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন) থেকে সার উত্তোলনের জন্য তিনি এ টাকা ডিডি করতে তাঁর কর্মচারীকে ব্যাংকে পাঠিয়েছিলেন। 
মসলেম উদ্দিনের ছেলে ইমরান হোসেন জানান,  কর্মচারী মাসুম হোসেন পচু ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৪শ টাকা ঈশ্বরদী সোনালী ব্যাংকে ডিডি (ডিমান্ড ড্রাফট)করতে যায়। সে টাকা ব্যাংকের ক্যাশিয়ার জিল্লুর রহমানের নিকট দেন। কিছুক্ষণ পর ক্যাশিয়ার জানান, ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৪শ’ টাকার মধ্যে ২ লাখ কম রয়েছে। ব্যাংকের টাকার পরিমাণ ও নোট সংখ্যা হিসাব করে লিখে দেয়া রয়েছে। এর মধ্যে থেকে কিভাবে ২ লাখ টাকা উধাও হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না। বিষয়টি নিয়ে ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেও কোন সূরাহা হয়নি। ক্যাশ কাউন্টারের কাছে যে সিসি ক্যামেরা রয়েছে সেটিও নষ্ট বলে ব্যাংক জানা যায়। তিনি এ ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে দাবি জানিয়েছেন। 
মসলেম এন্ড সন্সের কর্মচারী মাসুম হোসেন পচু বলেন, ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৪শ’ টাকা আমি কাউন্টারে দিয়েছি। টাকা ক্যাশিয়ার জিল্লুর রহমান গ্রহণ করে কিছুক্ষণ পর বলছেন দুই লাখ টাকা কম রয়েছে। ক্যাশিয়ারের পেছনে (কাচ দিয়ে ঘেরা বাউন্ডারীর মধ্যে) সাদা শার্ট পরিহিত এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে ছিল এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর তাকে আর দেখা যায়নি। পচু বলেন এটি ক্যাশিয়ারের কারসাজি।
ক্যাশিয়ার জিল্লুর রহমান বলেন, আমি টাকা গুনে ২ লাখ টাকা কম পেয়েছি। তাঁর পেছনে কোন লোক দাঁড়িয়ে ছিল না বলেও তিনি দাবি করেন। 
ব্যাংকের ম্যানেজার আব্দুল কাদির বলেন, ব্যাংকের ১৪টি সিসি ক্যামেরার মধ্যে ১২টি নষ্ট। যে ক্যাশ কাউন্টারে এ ঘটনা ঘটেছে সেখানকার সিসি ক্যামেরাও নষ্ট। তাই কি ঘটেছিল কাউন্টারে তা দেখা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ঘটনাটি শোনার পরপরই আমি ক্যাশ কাউন্টারে গিয়ে তাৎক্ষনিক ওই কাউন্টারের লেনদেন বন্ধ করে দিয়ে হিসাব নিকাশ করেছি। ওই ক্যাশে বাড়তি কোন টাকা নেই। যা লেনদেন হয়েছে তার হিসাবই রয়েছে। ব্যাংকের সিসি ক্যামেরা নষ্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ক্যামেরা স্থানীয়ভাবে মেরামত বা নতুন করে স্থাপন করার কোন সুযোগ নেই। আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিতভাবে বিষয়টি অবহিত করেছি। 

কোন মন্তব্য নেই