× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীর সলিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ করলেন ১১ ইউপি সদস্য

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুপস্থিতিতে অফিস সহায়ক রবিউল ইসলামের নিকট অভিযোগপত্র প্রদান করছেন সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ। 

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ
ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ বাবলু মালিথার বিরুদ্ধে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ এনে পাবনা জেলা প্রশাসক ও ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগপত্র প্রদান করেছেন ১১জন ইউপি সদস্য।

রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায়  ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাঁর অফিস সহায়ক রবিউল ইসলাম ও পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহায়ক অনিল বাবু’র নিকট এই অভিযোগ পত্র প্রদান করেন।

ইউপি সদস্যদের অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, উপজেলা দপ্তর থেকে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ২০১৮/২০১৯ অর্থ বছরের রাজস্ব খাতের ১% ভাগের টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। যা চেয়ারম্যান বাবলু মালিথা কোন উন্নয়ন কাজ না করে ভূয়া নামে প্রকল্প দেখিয়ে কাগজপত্র দাখিল করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক অনিল বাবুর নিকট অভিযোগপত্র প্রদান করছেন ইউপি সদস্যগণ। 
মিরকামারী গ্রামে  চেয়ারম্যান বাবলু মালিথার নিজ বাড়ির সামনে রাজস্ব খাত থেকে  ৭লাখ ৭৪ হাজার টাকার ব্যয়ে কংক্রিট ঢালাইয়ের রাস্তার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। সে টাকা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে আত্মসাৎ করে পরবর্তীতে সে রাস্তা ২০১৮/১৯ অর্থ বছরে এলজিডির প্রকল্প গ্রহণ করে এ রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। যা পুরোপুরি অনিয়ম। এছাড়াও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে গৃহহীনদের জন্য যে ঘর বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল সে ঘরগুলো চেয়ারম্যান কোন ইউপি সদস্যের সঙ্গে আলোচনা না করে নিজের আত্মীয়স্বজনের মধ্যে এ ঘর বরাদ্দ করে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান এনজিও কর্মীদের দ্বারা যে গৃহ ভবন কর/ট্যাক্স আদায় করেছেন তার পরিমাণ ২৭ লাখ টাকা। সে অর্থ দিয়ে ইউনিয়নের কোন উন্নয়ন কাজ না করে নিজে আত্মসাৎ করেছেন। সেই সঙ্গে ২০১৬ সাল থেকে আজ অবধি পর্যন্ত ট্রেড লাইন্সেস বাবদ আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ ইউপি সদস্যগণ চেয়ারম্যানের নিকট জানতে চাইলে তিনি তাদের সঙ্গে অসদসারণ করেন।

 ইউপি সদস্যরা আরো বলেন, ৩০ মাস ধরে তাদের সম্মানী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে না। ভাতা চাইলে চেয়ারম্যান খারাপ আচরণ করেন।
 পাবনা জেলা প্রশাসক ও ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অভিযোগপত্র দায়েরের সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, ওয়াহিদুজ্জামান, আসাদুল হক, আরিফ হোসেন, আকতারুল ইসলাম, ফুরকান আলী বিশ্বাস, ওয়াজেদ আলী, সানাউল হক, রোজিনা বেগম ও শাহানাজ বেগম।

ইউপি সদস্যদের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ বাবলু মালিথা বলেন, আমি কোন দূর্নীতি করিনি। এগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ। সম্মানী ভাতা প্রসঙ্গে বলেন, রাজস্ব আদায় করে সম্মানী ভাতা নিতে হয়। রাজস্ব আদায় না হলে ভাতা কিভাবে হবে। ইউপি সদস্যদের মধ্যে কয়েকজন আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে এবং গালিগালাজ করে।

কোন মন্তব্য নেই