× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



অবশেষে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র পেল নমুনা সংগ্রহের অনুমতি

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের হস্তক্ষেপে অবশেষে করোনার কিট তৈরির নমুনা সংগ্রহের অনুমতি মিলেছে বলে জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। ল্যাবে যান্ত্রিক ত্রুটির সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগের অসহযোগিতায় যথাসময়ে কিট সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। চূড়ান্ত কিট সরবরাহের পর সরকার অনুমতি দিলে দ্রুত বিভিন্ন ল্যাবে তা সরবরাহ করার ব্যাপারে আশাবাদী গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে এ ভাইরাস শনাক্তে করোনার কিট তৈরির জন্য দীর্ঘদিন থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এরই ধারাবাহিকতায় বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানির অনুমতি পায় প্রতিষ্ঠানটি। এরপর কয়েকদফা তারিখ পেছানোর পর কাঁচামাল হাতে পায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এখানেই বিপত্তি কাটে না। যাবতীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিলেও ল্যাবে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে কিট তৈরির প্রক্রিয়া পিছিয়ে যায়।
সেই বাধা অতিক্রম করলেও নতুন করে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মুখে পড়ে কিট তৈরির প্রক্রিয়া। গত ১২ এপ্রিল কিট তৈরির জন্য রোগীদের নমুনা চাওয়া হলেও স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমি খুব বিরক্ত হই। স্বাস্থ মন্ত্রণালয় যখন বলে কিছু করা যাচ্ছে না। তখন প্রধানমন্ত্রীর দফতরে আমরা অভিযোগ করি।
অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগের পর বুধবার কিট তৈরিতে রোগীর নমুনা সংগ্রহের অনুমতি পাওয়া যায় বলে জানান জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অফিসের সহায়তার কারণে আজ অনুমতিপত্র পেয়েছি। এখন আমার কর্মী টেকনিশিয়ানরা যাচ্ছেন। কুর্মিটোলা থেকে রক্ত নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে আসবেন।

কম মূল্যে ব্যাপক টেস্টের সুযোগ সৃষ্টি করতে দেশীয় গবেষণাকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।
বিএসএমএমইউর ভাইরোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, এই কিটগুলো যদি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। সেই কিটগুলোর দাম পড়বে ন্যূনতম ৮শ বা তার বেশি। সেক্ষেত্রে দেশীয় হলে অনেক কম মূল্য পড়বে। এ ব্যাপারে আমাদের সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করতে হবে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৫ এপ্রিল ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরসহ যতগুলো জায়গায় পরীক্ষা হয় সবখানে কিট হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

কোন মন্তব্য নেই