× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



২০২০ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নির্ধারিত সময়েই ধরে নিয়ে কাজ করার ঘোষণা

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান ডেভিড হোয়াইট বৈঠকের আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন আগামী জুলাইয়ের আগে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে না আইসিসি। আজ ১২টি টেস্ট খেলুড়ে ও ৩টি সহযোগী সদস্য দেশের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের পর আইসিসিও ২০২০ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে আয়োজক অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত সময়েই বিশ্বকাপ হচ্ছে ধরে নিয়ে কাজ করে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

করোনায় ক্রিকেট কতটা ক্ষতিগ্রস্থ হলো তা নিয়ে আলোচনা করতে আজ বৃহষ্পতিবার টেলিকনফারেন্সে বসে আইসিসি। প্রতিটি বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজ নিজ দেশের ক্রিকেটে করোনার প্রভাব আইসিসিকে জানিয়েছে। অভূতপূর্ব এই সময়ে প্রতিটি ক্রিকেট বোর্ড এক হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী আইসিসির কনফারেন্স শেষে প্রথম আলোকে বলেছেন, 'কোন সদস্যদেশ কী অবস্থায় আছে, এসব তথ্য আদান–প্রদান করা হয়েছে। সদস্যদেশগুলোর একজন আরেকজনের অবস্থা জেনেছে। আইসিসিও কিছু কিছু বিষয়ে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে। অন্যান্য কিছু বিষয় হালনাগাদ করা হয়েছে।'

বৈঠক শেষে আইসিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০২১ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিয়ে নির্ধারিত সময় হবে ধরে নিয়েই কাজ করছেন তারা। তবে বিশ্বজুড়ে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) প্রধান নির্বাহী কেভিন রবার্টস জানিয়েছেন তারা সময়মতো বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, 'অক্টোবরে নির্ধারিত সময়ে ২০২০ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করতে কী কী করতে হতে পারে তা নিয়ে আইসিসি, স্থানীয় আয়োজক কমিটি ও অস্ট্রেলিয়ার সরকারের সঙ্গে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সবাই মিলে সম্ভাব্য বিকল্পও ভেবে রাখছি। সবাইকে নিয়ে নিরাপদে ও ভালোয় ভালোয় ক্রীড়া উৎসব করতে যা যা করার দরকার ঠিক সময়েই আমরা সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।'

এ ছাড়া আইসিসি জানিয়েছে করোনার কারণে প্রতিটি দেশের স্থগিত হওয়া দ্বিপক্ষীয় সিরিজগুলো নতুন সূচি করে ২০২৩ সালের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করা হবে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও সুপার লিগের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনা করবে আইসিসি।

কোন মন্তব্য নেই