× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে আ’লীগের দুই নেতাকে পেটানোর ঘটনায় যুবলীগের কর্মীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ ঈশ্বরদী পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম গোলবার (৫৫) ও সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবকে (৬০) কে পিটানোর ঘটনায় স্থানীয় যুবলীগের পাঁচ কর্মীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
 বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে  গোলবার হোসেন বাদী হয়ে  থানায় অভিযোগপত্র জমা দিলে নানা নাটকীয়তার পর এটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। মামলার আসামীরা হলেন, শহরের আমবাগান এলাকার ছইমুদ্দীনের ছেলে শফিকুল ইসলাম, মৃত ফরহাদ হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন, আফছার আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, বাঙালের ছেলে নুরুজ্জামান, বজলুর ছেলে জনি ও ছইমুদ্দীন। 
মামলা এজাহারভুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী।  

জানা যায়, গতকাল (৬ মে)সকাল ১১টায় ঈশ্বরদী পৌর মার্কেটের সামনে দৈনিক সবজি বাজারে আলমগীর হোসেন ও শফিকুল ইসলাম নেতৃত্বে একদল  যুবলীগ কর্মী আওয়ামী লীগ নেতা গোলবার হোসেনকে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় গোলবার হোসনকে রা করতে আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে আহত করা হয়।  আহত গোলবার হোসেন ও হাবিুবর রহমানকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লব জানান, একজন সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধরের ঘটনার নিন্দা জানাই। আলমগীর ও শফিকুলসহ এ ঘটনার সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে তারা কেউ যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তারা দলে কোন পদপদবি নেই। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। 

ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমাল ইতিহাস টুয়েন্টিফোরকে জানান, যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা এসব অকর্ম করছে তাদের  কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।  আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নিন্দা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইছাহক আলী মালিথা জানান, গোলবার একজন দক্ষ ও বিচক্ষণ আওয়ামী লীগ নেতা। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছেন। হাটের চাঁদাবাজির ঘটনা নিয়ে একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে নামধারী কিছু যুবলীগ কর্মী  মারধর করবে এটি মেনে নেয়া যায় না। এদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগেও শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তানাহলে দলের শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। এসব চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

কোন মন্তব্য নেই