× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



সন্ত্রাস, দূর্নীতি ও মাদকমুক্ত ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া গড়তে চান স্বপন


ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ
মিজানুর রহমান স্বপন তারুণ্যদীপ্ত স্বপ্নবান একজন মানুষ। তাঁর মেধা, যোগ্যতা, সৃজনশীলতা, কর্মদক্ষতা ও অদম্য সাহসের কারণে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হয়েও স্বপন নিজেকে গড়ে তুলেছেন আধুনিক, রুচিশীল ও সৃজনশীল একজন মানুষ হিসেবে। তিনি শুধু স্বপ্নই দেখেন না স্বপ্ন পূরণের চ্যালেঞ্জ নিতেও জানেন।

এক সময়ের ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের দাপটে ছাত্রনেতা স্বপন ১৯৯৭ সালে ঈশ্বরদীর আ’লীগের কিছু নেতার অপরাজনীতি,কুটকৌশল ও হীনমন্যতার শিকার না হলে আজ তার নামে আগে ভিপি পদবি উচ্চারিত হতো। তাঁর ভিপি পদ ঠেকানোর জন্য তৎকালীন আ’লীগ নেতারা কলেজ সংসদ নির্বাচন বন্ধ করে দিয়ে সিলেকশনের মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে কলেজ সংসদের ভিপি,জিএস নির্বাচিত করেছিলেন। কারণ তৎকালীন নেতারা বুঝেছিলেন যদি নির্বাচন হয় তাহলে স্বপন স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও  বিপুল ভোটে জয়ী হবেন। স্বপনের ভোট যুদ্ধের চ্যালেঞ্জের মুখে ষড়যন্ত্রকারীরা পরাজয় নিশ্চিত জেনেই নির্বাচনে পথ রুদ্ধ করে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছিলেন।

১৯৯১ থেকে ৯৬ বিএনপির শাসনামলে ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের উপর নেমে এসেছিল নির্যাতনের খড়ক। বিএনপির সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলা আর পুলিশি নির্যাতনে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা  অতিষ্ঠ হয়ে  উঠে ছিল। তখন জয় বাংলা শ্লোগান দেওয়াটা ছিল খুবই কঠিন। ওই সময় ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের মিছিলের নেতৃত্বে থাকতেন  মিজানুর রহমান স্বপন এবং তার বড় ভাই মোখলেছুর রহমান রিপন। তৎকালীন সময়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার কারণে বিএনপির হামলা, মামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিলেন তাদের বাড়ি ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। স্বপনের বাবা-মা কে লাঞ্ছিত হতে হয়েছেন। ঈশ্বরদীতে সেসময় আ’লীগের অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এদের মধ্যে অন্যতম ছিল  স্বপনের পরিবার।

স্বপনসহ তাঁর চার ভাই ঈশ্বরদীর রাজনীতির মাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছে। বড় ভাই নাজমুল হোসেন উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, মোখলেছুর রহমান রিপন উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন, ছোট ভাই মোশাররফ হোসেন নয়ন  পৌর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
মেধা,সাংগঠনিক দক্ষতা,সততা ও এবং অনেক ত্যাগ স্বীকার করার পরও তাদের পরিবারের কেউ  ঈশ্বরদী আওয়ামী রাজনীতিতে মূল নেতৃত্বে আসতে পারিনি বা আসতে দেয়া হয়নি। এক কথায় বলা যায় ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে যে পরিবারের অসমান্য অবদান ছিল, দলক্ষমতায় আসার পর সেই পরিবারটিই সববেচেয় বেশী বঞ্চিত, নিগৃহীত হয়েছে। দলের গুরুত্বপূণ পদ না পেলেও তারা  কখনোই হতাশ হয়নি, পথভ্রষ্ট হয়নি, আত্মবিশ্বাসের সাথে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে সংগঠন ও দেশের জন্য কাজ করে চলেছেন।

পৌর আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান স্বপ্ন দেখেন সুন্দর ও বাসযোগ্য ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া বিনির্মানের। যেখানে থাকবে উন্নয়নের স্বপ্নগাথা গল্প, গড়ে উঠবে শিল্প-কারখানা, উর্বর কৃষি জমিতে ফলবে সোনার ফসল। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ জনপথ হিসেবে গড়ে উঠবে ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া। যেখানে রাজনীতির নামে কোন মারামারি,লুটপাট, হত্যা, রাহাজানি থাকবে না, কোন সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না। সুখ, স্বাচ্ছন্দ ও সমৃদ্ধময় জীবন হয়ে উঠবে ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার মানুষের জীবন।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল তারুন্যেদীপ্ত আ’লীগ নেতা মিজানুর রহমান স্বপন ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তাঁর সমর্থনে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, মোটর শোভাযাত্রা, পথসভা ও শেখ হাসিনার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রচারপত্র বিলি হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জীবনীর উপর লেখা ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত জীবন’ বইটি ঈশ্বরদীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, লাইব্রেরিতে উপহার হিসেবে দিয়েছেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন এবং নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেন। 
তিনি  চলমান করোনা সংকটেও লোক দেখানে ত্রাণ  না দিয়ে নীরবে নিভৃতে কর্মহীন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া আসনে সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের মৃত্যু পর এ আসন শূন্য ঘোষণা করেছে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ আসনে উপ- নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ আসনে এবারের আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী স্বপন। তিনি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে মনোনয়ন চাইবেন।
মিজানুর রহমান স্বপন সময়ের ইতিহাসকে বলেন, আওয়ামী পরিবারের সন্তান আমি। ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছি, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় আছি। বিপদ আপদে মানুষের পাশে আছি। আমি স্বপ্ন দেখি সুন্দর ও বাসযোগ্য ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আওয়ামীলীগ ও সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

কোন মন্তব্য নেই