× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



মেগা প্রকল্পে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে

সাতটি মেগা প্রকল্পকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) চূড়ান্ত করছে পরিকল্পনা কমিশন। এরমধ্যে আবার সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে ঈশ্বরদীস্থ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আর সর্বনিম্ন পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প।

উন্নয়ন বাজেটে মেগা প্রকল্পের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ১৫ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা পেয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে। আর পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প বরাদ্দ পেয়েছে ৩৫০ কোটি টাকা।
নতুন এডিপির আকার দুই লাখ পাঁচ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিলের এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা। আর বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৭০ হাজার ৫০১ কোটি ৭২ লাখ টাকা খরচ করা হবে।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত এডিপির তুলনায় ১২ হাজার ২২৪ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে নতুন এডিপিতে। ফলে নতুন এডিপিতে ছয় দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি বরাদ্দ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) গণভবনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এনইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

সাতটি মেগা প্রকল্পে ৩৪ হাজার ২৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে উন্নয়ন বাজেটে। এছাড়া দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্পে এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পটি ২০১০ সালে শুরু হয়েছিল। সমাপ্ত হওয়ার কথা ২০২২ সালে। বর্তমানে প্রকল্পের অগ্রগতি ৩৮ শতাংশ।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় এখন সরকারি হিসাবে এক লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি ৯১ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) দলিলে এই ব্যয়ের অংক উল্লেখ করা হয়েছে।

এনইসি সভায় গণভবন থেকে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান অংশগ্রহণ করেন। অন্যদিকে, এনইসি সভায় শেরেবাংলা নগর থেকে অংশগ্রহণ করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রা

কোন মন্তব্য নেই