× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে আহত করলেন যুবলীগের কর্মীরা

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ ঈশ্বরদী পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম গোলবারকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন স্থানীয় যুবলীগের কর্মীরা।

আজ বুধবার (৬ মে)সকাল ১১টায় ঈশ্বরদী পৌর মার্কেটের সামনে দৈনিক সবজি বাজারে যুবলীগের কর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা গোলবার হোসেনকে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।বর্তমানে আহত গোলবার হোসেন ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  

আহত গোলবার হোসেনের ছেলে সনি জানান, পৌর মার্কেটের সামনে দৈনিক বাজারের ইজারাদার ও বাজার সংশ্লিষ্টদের নিকট থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল শহরের আমবাগান এলাকার আলমগীর হোসেন ও শফিকুল ইসলাম সহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন।চাঁদা না দেয়ায় আজ সকাল ১১টায় অর্তকিতভাবে হামলা চালিয়ে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আলমগীর ও শফিকুল যুবলীগের বর্তমান কোন কমিটি পদে নেই। তবে তারা যুবলীগের কর্মী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন। তিনি আরো জানান, পুলিশ হাসপাতালে এসে তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে গেছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে।  

এব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত যুবলীগ কর্মী শফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।  

ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বিপ্লব জানান, একজন সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধরের ঘটনার নিন্দা জানাই। আলমগীর ও শফিকুলসহ এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তারা কেউ যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তাদের দলে কোন পদপদবি নেই। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। 

ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শিরহান শরীফ তমাল ইতিহাস টুয়েন্টিফোরকে জানান, যু্বলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা এসব অকর্ম করছে তাদের  কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। এরা যুবলীগের কোন কমিটিতে নেই। আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নিন্দা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। 

ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইছাহক আলী মালিথা জানান, গোলবার একজন দক্ষ ও বিচক্ষণ আওয়ামী লীগ নেতা। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছেন। হাটের চাঁদাবাজির ঘটনা নিয়ে একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে নামধারী কিছু যুবলীগের কর্মী মারধর করবে এটি মেনে নেয়া যায় না। এদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগেও শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তানাহলে দলের শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। যুবলীগের নামধারী চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

কোন মন্তব্য নেই