× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



করোনা চিকিৎসায় ঢামেকে ‘প্লাজমা থেরাপি’ কার্যক্রম শুরু

করোনার চিকিৎসায় আজ শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্লাজমা থেরাপির কার্যকারিতা পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য প্লাজমা নিয়েছেন এক চিকিৎসক। 

এর আগে হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাছির উদ্দীন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছিলেন, প্লাজমা প্রয়োগের পরীক্ষা ছয় মাস ধরে চলবে। এতে দেখা হবে এর কার্যকারিতা কেমন। কার্যকারিতা প্রমাণিত হলে থেরাপি বৃহদাকারে রোগীদের দেওয়া হবে। এ কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণের জন্য সাত-আট জনের একটি বিশেষজ্ঞ টিম রয়েছে।

ঢামেক হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এম এ খান জানিয়েছেন, করোনায় আক্রান্তদের সারিয়ে তুলতে সেরে ওঠাদের রক্তের প্লাজমা অসুস্থদের দেওয়ার চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ নানা দেশ।
চিকিৎসকরা বলছেন, কভিড-১৯ আক্রান্তের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এ ভাইরাস মোকাবিলা করে টিকে থাকতে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এ অ্যান্টিবডি করোনাভাইরাসকে আক্রমণ করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্তের প্লাজমায় প্রচুর অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। ওই অ্যান্টিবডিই অসুস্থদের সারিয়ে তোলার জন্য ব্যবহার হবে।

জানা গেছে, ঢামেক হাসপাতালে যে কভিড-১৯ রোগীরা আছেন তাদের ওপরই আপাতত এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। এ ছাড়া ঢাকার আরও দু-একটি হাসপাতালে রোগীদের ওপর প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সবচেয়ে বড় সেন্টার হবে ঢামেক হাসপাতালে। এ ছাড়া বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল এ ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে। ইতিমধ্যে কভিড-১৯ থেকে যারা সেরে উঠেছেন তাদের আহ্বান জানানো হয়েছে প্লাজমা দিতে এগিয়ে আসার জন্য। দাতার শরীর থেকে প্লাজমা সংগ্রহের জন্য একটি বিশেষ কিট প্রয়োজন হয়। এ ধরনের প্রতিটি কিটের দাম ১২ হাজার টাকা। প্লাজমাদাতার রক্তে অ্যান্টিবডির পরিমাণ জানতে যে পরীক্ষা করতে হয় সেজন্য স্পেন থেকে চারটি কিট আনার প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিটি কিটের দাম পড়বে দেড় লাখ টাকা। একটি কিটে ৯০টি নমুনা পরীক্ষা করা যায়।

বাংলাদেশে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করে কভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসা করার সম্ভাব্যতা দেখতে গত মাসের শুরুতে আগ্রহের কথা জানান ঢাকা মেডিকেল কলেজের হেমাটোলজির অধ্যাপক ডা. এম এ খান। ১৯ এপ্রিল তাঁকে সভাপতি করে চার সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

কোন মন্তব্য নেই