× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদ ভ্রমনে ঈশ্বরদী রেল পুলিশের বিশেষ সেবা কার্যক্রম

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ 
করোনা দুর্যোগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ঈশ্বরদী জংশন থেকে বিভিন্ন রুটে তিনটি যাত্রীবাহী আন্তঃনগর ট্রেন দেশের বিভিন্ন রুটে অতিক্রম করেছে। তবে খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ ট্রেনে চড়ছেন না। 
বুধবার (৩ জুন) দ্বিতীয় ধাপে আংশিক ট্রেন চলাচল শুরুর প্রথম দিনে বেলা ১১:২০ মিনিটে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী ৭১৫ নম্বর রুপসা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশনে প্রবেশ করে। ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে প্রবেশের পর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৪০টি নির্ধারিত আসনের মধ্যে ২০ যাত্রী নিয়ে পঞ্চগড়ের দিকে ছেড়ে যায়।

এর আগে প্রথম ধাপে ২ মাস ৮ দিন পর সোমবার (১ জুন) ৭৬৩ নং চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনটি খুলনা-ঈশ্বরদী-ঢাকা রুটে চলাচল করে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশি বিভাগীয় রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়,  দ্বিতীয়ধাপের প্রথম দিনে বুধবার (৩ জুন) সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে হয়ে গোয়ালন্দঘাটগামী ৭৫৬ নম্বর মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রবেশ করে। এই ট্রেনে স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী ২৫ আসন বরাদ্দ থাকে এই স্টেশনের যাত্রীদের জন্য। করোনা পরিস্থিতির কারণে বরাদ্দকৃত ১২ সিট বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৭ জন যাত্রী নিয়ে সকাল সাড়ে ন'টায় গোয়ালন্দঘাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঈশ্বরদী জংশন হয়ে রাজশাহীগামী ৭১৫ নম্বর আন্তঃনগর কপোতা এক্সপ্রেস ১০টা ৩৫ মিনিটে ঈশ্বরদী জংশনে প্রবেশ করে। পূর্বের ১২৮ আসনের নির্ধারিত অর্ধেক ৬৭ আসনের যাত্রী নিয়েই সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে রাজশাহী অভিমুখে ছেড়ে যায় ট্রেনটি।
, প্রথম ধাপের একটি ট্রেন সোমবার (১ জুন) চালু হওয়া ৭৬৩ নং চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকালে খুলনা থেকে এসে দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ঈশ্বরদী জংশনে প্রবেশ করে। ৩৫ টি আসনের ১৬টি আসন বরাদ্দ ছিল। ১৬ জন ট্রেনযাত্রী নিয়েই ঢাকার দিকে গেছে চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেন।

বুধবার (৩ জুন) সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩ টা পর্যন্ত পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশি বিভাগীয় দপ্তরের ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আসাদুল হকের নেতৃত্বে বিভাগীয় রেলওয়ে বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, রেলওয়ে জিআরপি পুলিশ কর্মকর্তা, গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তারা, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ এবং ঈশ্বরদী  জংশন স্টেশনের কর্মচারীরা ট্রেন আসা এবং ছেড়ে যাওয়া পর্যন্ত পরিদর্শন করেন।
 এসময় সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জিআরপি পাকশী জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার নাঈম উল আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ গোপাল কর্মকারসহ রেলওয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ।  

এসময় ছেড়ে যাওয়া ট্রেনের যাত্রীদের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ট্রেনে ওঠানো হয়। এর আগে ট্রেনগুলো স্টেশনে প্রবেশের পরই রেলওয়ে কর্মচারীরা ট্রেনের সব কয়টি কামড়ার দরজা জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়ে পরিস্কার করেন। ট্রেনে ভ্রমণরত কতিপয় রেলওয়ে কর্মচারীদের চলাফেরা-কাজকর্মে কিছুটা অনিয়ম দেখেই তাদেরকে হুঁশিয়ার করা হয় এবং যথাযথভাবেই তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য মেনে চলতে বলা হয়। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলকারী সকল ট্রেনযাত্রীকে রজনীগন্ধা ফুলের স্টিক দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

কোন মন্তব্য নেই