× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে স্বামীর লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন স্ত্রী


ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ
ঈশ্বরদীতে জহুরুল ইসলাম (৪০) নামে এক যুবকের লাশ নিয়ে  তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী  বাড়িতে ফেরার ঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।  ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার (৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় নতুন রূপপুর গ্রামে। নিহত জহুরুল ইসলাম নতুন রূপপুর গ্রামের মৃত শাহাদত হোসেনে ছেলে।

পাকশী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য ( মেম্বার) মিলন আহমেদ সানি মুঠোফোনে জানান,  জহুরুলের লাশ এ্যাম্বুল্যান্স যোগে  হঠাৎ দুপুর সাড়ে ১২টায় তাঁর বাড়িতে আনা হয়। জহুরুলের লাশ আনার পাঁচ মিনিট পরেই আরেকটি গাড়ি যোগে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী সান্তনা বেগম ওই বাড়িতে আসেন। এলাকাবাসীর সন্দেহ জহুরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী সান্তনা বেগম জহুরুলের মৃত্যুর রহস্য এবং তার লাশ বাড়িতে আনার ঘটনার সঙ্গেও  জড়িত।

জহুরুলের হত্যা ও বাড়িতে লাশ আনার বিষয়টি তার জানা নেই অস্বীকার করে সান্তনা সাংবাদিকদের বলেন, পাবনার পাথরতলা এলাকার জনৈক আজাদ হোসেন মুঠোফোনে জহুরুলের মারা যাওয়া খবরটি তাকে জানায়। এরপর সে জহুরুলের মরদেহ তার রূপপুর গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানান। তিনি জহুরুলের মৃত্যুর খবর শুনে কুষ্টিয়া মিলপাড়া নিজ বাড়ি থেকে এখানে এসেছেন। সান্তনা বেগম বলেন, আজাদের সঙ্গে টাকা নিয়ে ঝামেলা ছিল জহুরুলের।
এলাকাবাসী জানান, জহুরুল মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ইতিপূর্বে সে একাধিকবার মাদক ব্যবসার জন্য গ্রেফতারও হয়েছেন। মাদক ব্যবসার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে এই হত্যাকান্ড ঘটতেও পারে।
 
এদিকে, এ্যাম্বুলেন্স থেকে দ্রুত লাশ নামিয়ে আবার ফিরে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন এ্যাম্বুলেন্সে থাকা নিয়ামত আলীকে ধরে বাড়িতে আটকে রাখে। নিয়ামত আলী বাড়ি ঈশ্বরদী শহরের মশুরিয়া পাড়ায়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ নিয়ামতকে আটক করেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিকাশ চক্রবর্তী জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী সান্তনা ও নিয়ামতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

কোন মন্তব্য নেই