× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



লাশ তুমি কার...? ৯৯৯ এ সমাধান


গাছ কাটা নিয়ে মারামারিতে একজনের মৃত্যু। কিন্তু ঘটনাস্থল মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে নাকি টাঙ্গাইলের নাগরপুরে? এ নিয়ে দৌলতপুর আর নাগরপুর থানার রশি টানাটানি। অবশেষে পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ এর পরামর্শে মামলা নেওয়া হলো দৌলতপুর থানায়।

গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে দৌলতপুর এবং নাগরপুর উপজেলার সীমানা লাগোয়া টেপড়ি বাজারে মারামারির ঘটনায় নুরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তি মারা গেলে এমন ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নাগরপুর উপজেলার বাদেবিহালী গ্রামের সাইফুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের শাহিনের সাথে গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত বুধবার সকালে সাইফুল পার্শ্ববর্তী টেপড়ি বাজারে চা খেতে যায়। পূর্ব শত্রুতার জেরধরে সাইফুলের সাথে শাহিনের হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় মারামারি ঠেকাতে পাশের দোকানদার বাদেবিহালী গ্রামের নুরুল ইসলাম এগিয়ে আসেন। মারামারি মাঝে পড়ে তিনি আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

খবর পেয়ে দৌলতপুর ও নাগরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। কিন্তু ঘটনাস্থল কোন থানা এলাকায় পড়েছে এ নিয়ে শুরু হয় ঠেলাঠেলি। দৌলতপুর থানা পুলিশের দাবি ঘটনাস্থল নাগরপুরে। উল্টো দাবি করে নাগরপুর থানা পুলিশ। দীর্ঘ সময়েও কোন ফয়সালা না হওয়ায় ঘটনাস্থল থেকে একজন ইউপি সদস্য পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন করেন। এরপরই অবসান ঘটে বিতর্কের।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, মারামারিতে জড়িত দুই পক্ষ এবং নিহত ব্যাক্তি সবাই নাগরপুর উপজেলার বাসিন্দা। সরজমিনে তদন্ত করেও ঘটনাস্থল নাগরপুরে বলে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন। তবে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে আপাতত দৌলতপুর থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, আজ সকালে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে নাগরপার উপজেলার বাদেবিহারী গ্রামে নিহত নুরুল ইসলামের দাফন হ

কোন মন্তব্য নেই