× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



টিকিট যার ভ্রমণ তার

রেলভ্রমণের জন্য টিকিট কাটার নতুন পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। নতুন নিয়মে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া কেউ ট্রেনের টিকিট কিনতে পারবেন না। আর একজনের নামে কেনা টিকিটে অন্যজন ভ্রমণও করতে পারবেন না। টিকিট কালোবাজারি বন্ধে এবং ভ্রমণের সময় যাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য এমন উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে রেলওয়ে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, নতুন পরিকল্পনা বা উদ্যোগ অনুযায়ী একজন যাত্রীকে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ নামে নতুন এই পদ্ধতি চালু হলে স্ট্যান্ডিং টিকিট বা সিট ছাড়া কোনো টিকিট বিক্রি হবে না। আগামী অক্টোবর মাসের শেষের দিকে নতুন এ পদ্ধতি চালু হতে পারে বলে জানা গেছে। এছাড়া ১৬ বছরের নিচে যাত্রীদের ক্ষেত্রে তার মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে টিকিট বিক্রির একটি প্রক্রিয়া পরিকল্পনায় রয়েছে।

জানা গেছে, এ পদ্ধতিতে যাত্রীকে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন করার পর যাত্রীর তথ্য রেলের সার্ভারে চলে যাবে। যাত্রাকালে ট্রেনে চেকারের কাছে থাকা ডিভাইস দিয়ে সার্ভারে থাকা যাত্রীর নাম-পরিচয়ের সঙ্গে টিকিটে থাকা নাম-পরিচয় মিলিয়ে দেখবেন। এ ক্ষেত্রে যার নামে টিকিট তাকেই ভ্রমণ করতে হবে। বর্তমানে অ্যাপের মাধ্যমে যারা আগে থেকে নিবন্ধিত আছেন, নতুন নিয়ম চালুর পর তারা সঠিক হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন পদ্ধতিতে যুক্ত হয়ে যাবেন।

এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন ফেসবুক লাইভে বলেন, টিকিট কালোবাজারি বন্ধেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতিতে যাত্রীকে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন করার পর যাত্রীর তথ্য রেলের সার্ভারে চলে যাবে। এর ফলে যাত্রীর ভ্রমণের সময় তার ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। নতুন এই ব্যবস্থার একটি নামকরণ করেছে রেলওয়ে ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রেলওয়ে মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের আওতায় জাতীয় পরিচয়পত্র প্রকল্পের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করবে। এই পদ্ধতি চালু হলে ট্রেনে যাত্রাকালে যাত্রীর স্মার্টফোন থাকতেই হবে এমন প্রয়োজন নেই অথবা যাত্রীকে তার জাতীয় পরিচয়পত্রও বহন করতে হবে না।

কোন মন্তব্য নেই