× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদী জংসন স্টেশনে চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন রেল সচিব

বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সেলিম রেজা বলেছেন, পাকশীতে রেলওয়ের জমি অবৈধভাবে দখল করে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করা হবে। তবে তাদের স্থানান্তর করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। কারণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের (আরএনপিপি) জন্য জমি প্রয়োজন। তবে কবে এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে তা বলেননি সচিব।


শনিবার দুপুরে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন থেকে আরএনপিপি পর্যন্ত নতুন ২৬ কিলোমিটার রেল সংযোগ ও স্টেশন নির্মাণ প্রকল্পের মান ও অগ্রগতি পরিদর্শন কালে স্টেশনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ সচিব এসব কথা বলেন। রেলপথ সচিব আরো বলেন, শুধু ঈশ্বরদী  জংশন স্টেশন নয় সারা বাংলাদেশে রেল ভ্রমণকে নিরাপদ ও অধিক আরামদায়ক করতে বর্তমান সরকার বহু প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলেই দেশের রেলওয়ের চেহারা সম্পুর্ন পাল্টে যাবে।



এর আগে চলমান করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতিতে আরএনপিপিতে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারীদের নিরাপদে রাখতে পাবনাতে তিনটি পিসি ল্যাব স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। শুধুমাত্র আরএনপিপি প্রকল্পের শ্রমিকদের জন্যই একটি পিসি ল্যাব নির্মাণ করার চূড়ান্ত প্রস্ততি সরকারের রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিহাব রায়হানের সভাপতিতে উপজেলা মিলনায়তন কক্ষে করোনা ভাইরাস-১৯ বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মত বিনিময় কালে সচিব এসব কথা বলেন।



কাজের মান ও অগ্রগতি দেখতে ঈশ্বরদী আসলে রেলপথ সচিবের সঙ্গে পাবনা জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ, রেলওয়ে রাজশাহীর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মিহির কান্তি গুহ, রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আসাদুল হক, রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় পুলিশ সুপার সাহাব উদ্দিনসহ রেলওয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ্য, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধিনে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে (আরএনপিপি) রেললাইন নির্মাণ, নতুন স্টেশন স্থাপন, রেললাইন সংস্কার ও সম্প্রসারণ কাজের পাশাপাশি ঈশ্বরদী প্লাটফর্মে যাত্রীদের সেবার মান বৃদ্ধির জন্য প্লার্টফর্ম সংস্কার, সম্প্রসারণ, ট্রেন থেকে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ্য রোগিদের খুব সহজেই নামার সুবিধার্থে প্লার্টফর্ম উঁচু করণ, যাত্রী সেবার মানবৃদ্ধির লক্ষ্যে আধুনিক টয়লেট, বসার স্থান, বিশ্রামাগারসহ রেলওয়ের স্টেশনটিকে ক¤িপউটারাইজড ও ডিজিটাল ইয়ার্ড, নতুন সিগন্যাল ভবণ নির্মাণ ও সিগন্যালকে ডিজিটালাইজডকরণসহ নানামুখি উন্নয়ন কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ২৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজটি ক্যাসেল কন্সট্রাকশন লিঃ এন্ড স্ট্যান্ডার্ড ইঞ্জিনিয়ার লিঃ জয়েন্ট ভ্যানচার কোম্পানির মাধ্যমে করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৮ কোটি টাকার কাজ অন্যান্য কোম্পানির মাধ্যমে করা হচ্ছে বলে রেলওয়ে অফিস সুত্রে জানা গেছে।

কোন মন্তব্য নেই