× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



পাবনা-৪ উপনির্বাচনে মনোনয়ন চাইবেন নারী নেত্রী মাহজেবিন শিরিন পিয়া

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদক-
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মাহজেবিন শিরিন পিয়া বলেছেন, আমার বাবা সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এ অঞ্চলের রাজনীতির প্রাণপুরুষ শামসুর রহমান শরীফ মহোদয়ের অসমাপ্ত কাজ আমি সমাপ্ত করতে চাই। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট এই আসনের মনোনয়নের জন্য আবেদন করবো। আমি আশাকরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়ে আমার বাবার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার সুযোগ দিবেন। 

বুধবার (২২ জুলাই) ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে পিয়া এসব কথা বলেন।

পিয়া বলেন, আমি ৩৬ বছর ধরে রাজনীতি করি। ছাত্রলীগ, যুব মহিলা লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছি। এখন পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আমি ১৯৯৮ সালে পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করেছি। ২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছি। বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। আমি রাজশাহী বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, শ্রেষ্ঠ বিভাগীয় জয়িতা ও শ্রেষ্ঠ বিদ্যুাৎসাহীর পুরস্কার পেয়েছি।  সফল ভাইচেয়ারম্যানের স্বীকৃতি স্বরূপ ইউরোপের ৬টি দেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে সফর করেছি। দলের সব সভা-সমাবেশ, মিটিং মিছিলে সামনে সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। 

আগামী উপ-নির্বাচনে অনেকেই প্রার্থী হবেন আমি কাউকে প্রতিদ্ব›িদ্ব মনে করি না। মনোনয়ন চাওয়ার অধিকার সবার রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই মনোনয়ন দিবেন। আমি সকল মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন উপহার দেন তাহলে দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে ইনশাল্লাহ নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনবো।

সারাজীবন রাজনীতি করেছি। রাজনীতি আমার রক্তের ধমনীতে মিশে আছে। রাজনীতি করতে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবনের অনেক চাওয়া পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছি। তবুও রাজনীতি ছাড়েনি।
আমি বাবার সান্নিধ্যে থেকে ৩৬ বছর ধরে রাজনীতি শিখেছি। বাবা আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন। অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। আজ বাবা নেই। তিনি ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছেন। শিল্পকারখানা, রাস্তাঘাট, স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড করেছেন। তিনি ঈশ্বরদীকে জেলাকরণের স্বপ্ন দেখতেন। তিনি রেলগেটে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের চেষ্টাও করেছিলেন। আল্লাহ তাকে আর কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখলে তিনি হয়তো তার স্বপ্নগুলো পূরণ করে যেতে পারতেন। আল্লাহ তাকে নিয়ে গেছেন। আমি তাঁর সন্তান হিসেবে তাঁর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে চাই।

কোন মন্তব্য নেই