× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



পরীক্ষাগার বাড়ে পরীক্ষা বাড়ে না

করোনাভাইরাসে সংক্রমণ রোধে বেশি বেশি নমুনা পরীক্ষার তাগিদে দেশ জুড়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে পরীক্ষাগার বাড়ানো হলেও সে লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে না। বরং টেস্টের সংখ্যা কমছে।

কভিড-১৯ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে মঙ্গলবার জানানো হয়, করোনার নমুনা পরীক্ষায় দেশে আরও একটি পরীক্ষাগার যুক্ত হয়েছে। সেটি হলো ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হসপিটাল।

এই নিয়ে দেশে মোট পরীক্ষাগারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩টি। আর এসব পরীক্ষাগারে চব্বিশ ঘণ্টায় মোট নমুনা টেস্ট হয়েছে ৭ হাজার ৭১২টি। তাতে করোনারোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯১৮ জন। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৪.৮৭ শতাংশ।

নমুনা পরীক্ষা কমায় দেশে রোগী শনাক্তও কম হচ্ছে। তবে শতকরা হিসেবে শনাক্ত হার উঠতির দিকে।

দেশে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ রোগী শনাক্তের রেকর্ড হয়েছিল ২ জুলাই, ৪ হাজার ১৯ জন। ওই দিন শনাক্তের হার ছিল প্রায় ২২ শতাংশ।

সর্বোচ্চ শনাক্তের দিন পরীক্ষা হয়েছিল ১৮ হাজার ৩৬২টি নমুনা। কিন্তু এরপর দৈনিক নমুনা পরীক্ষা কখনো ১৬ হাজারের কোটা পার হয়নি। ঈদের সময়টাতে নমুনা পরীক্ষা কমে তিন হাজারের কোটায়ও নেমেছে একদিন।

করোনা বিস্তার রোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশেষজ্ঞরা যখন বেশি বেশি নমুনা টেস্টের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, বাংলাদেশে তখন উল্টো চিত্র।

এ ছাড়া, অধিকাংশ দেশের মতো বাংলাদেশও বিনা মূল্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা শুরু করলেও গত মাসের শেষ দিকে ফি নির্ধারণ করে দেয় সরকার। বেধে দেওয়া মূল্য অনুযায়ী বাসায় নমুনা টেস্ট করালে ৫০০ টাকা, হাসপাতালে করালে ২০০ টাকা গুনতে হয় নাগরিকদের।

ফি নির্ধারণ, রিপোর্ট পাওয়ায় দীর্ঘসূত্রতা এবং সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট কেলেঙ্কারিতে দেশের মানুষজন নমুনা পরীক্ষা করা নিয়ে আগ্রহই হারিয়ে ফেলেছে বলে অনেকের ধারণা।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলে; এর দশ দিনের মাথায় ঘটে প্রথম মৃত্যু।

সরকারি হিসেবে, দেশে এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ লাখ ১ হাজার ২৫৬টি। এর মধ্যে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ২০ জনের শরীরে। শনাক্তের হার ২০.৩১ শতাংশ।

আক্রান্তদের মধ্যে চব্বিশ ঘণ্টায় ৫০ জনসহ মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৩৪ জনের। নতুন ১ হাজার ৯৫৫ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬০ জন। সুস্থ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাদ দিলে দেশে বর্তমানে ‘অ্যাকটিভ’ করোনারোগী আছে এক লাখের কিছু বেশি।

কোন মন্তব্য নেই