× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



পাবনা-৪ আসনে আ'লীগের টিকিট পাচ্ছেন কে, জানা যেতে পারে আজ


পাবনা-৪ সহ পাঁচটি আসনের উপনির্বাচনে ১৪১ জন দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তাঁদের মধ্যে কে পাচ্ছেন দলের মনোনয়ন, তা কাল রোববার ঠিক হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে কাল রোববার বিকেলে বসছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভা। করোনার কারণে সীমিত সংখ্যায় সদস্যদের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বাকিদের মতামত নেওয়া হবে ফোনে।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে। সূত্র বলছে, দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থা, সাংগঠনিক চ্যানেল ও নিজস্ব সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। সম্ভাব্য দলীয় প্রার্থী কারা হতে পারেন, এই বিষয়ে প্রায় সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেছেন। কাল দলের নেতাদের মতামত নিয়ে তালিকা চূড়ান্ত করে ঘোষণা হয়ে যেতে পারে।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র বলছে, দলের সভাপতি ও বোর্ডের প্রধান শেখ হাসিনা ছাড়া আর পাঁচজনকে বৈঠকে ডাকার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। এঁরা হলেন—আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ওবায়দুল কাদের, আবদুর রাজ্জাক ও ফারুক খান। বৈঠকে কারা উপস্থিত হবেন সে বিষয়ে জানিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে দিয়েছেন দলীয় প্রধান।

পাবনা-৪ আসনে ভোট হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর। সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ওরফে ডিলুর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়েছিল।

আওয়ামী লীগ পাঁচটি আসনেই দলীয় প্রার্থী বাছাই করার লক্ষ্যে ফরম বিক্রি করেছে। প্রতিটির দাম ৩০ হাজার টাকা।

সব মিলিয়ে ১৪১ জন আগ্রহী পাওয়া গেছে। অর্থাৎ প্রতি আসনে গড়ে আগ্রহী প্রার্থী ২৮ জন। ঢাকা-১৮ আসনে সর্বোচ্চ ৫৬ এবং সিরাজগঞ্জ-১ এ সর্বনিম্ন তিনজন দলীয় ফরম সংগ্রহ করেন।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হন। বাকি ১৪৭ আসনের প্রতিটিতে গড়ে ১৭ জন দলীয় ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে প্রতি আসনের বিপরীতে ১৪ জন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। অর্থাৎ এবার সাম্প্রতিক কালে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী আগ্রহ দেখিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পাঁচটি আসনের সবগুলোর প্রার্থী এখনই বাছাই করা হবে নাকি প্রথম তিনটির প্রার্থী বাছাই হবে—এটি নিয়ে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে দলের নীতিনির্ধারকদের। কেউ কেউ বলছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সব আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলে দলীয় কোন্দল বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। এ ছাড়া প্রার্থীর পক্ষে আচরণবিধি লংঘনসহ নানা অনিয়ম হতে পারে।

তবে বেশির ভাগ নেতা মনে করছেন, করোনাকালে আগে-ভাগে প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেই ভালো। এতে প্রার্থীরা সময় নিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারবে। দলে কোনো সমস্যা থাকলে কেন্দ্রীয়ভাবে হস্তক্ষেপ করে তা মিটিয়ে দেওয়া যাবে।


কোন মন্তব্য নেই