× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



অবশেষে বার্সেলোনায় থাকছেন লিওনেল মেসি

প্রায় দশদিনের নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে লিওনেল মেসি বড় এক ইউটার্ন নিয়েছেন। জানিয়েছেন আপাতত বার্সেলোনা ছাড়ছেন না তিনি। গোল ডট কমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন বার্সেলোনা অধিনায়ক। এর মানে দাঁড়াচ্ছে অন্তত ২০২১ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় থাকবেন মেসি।

মেসি বলছেন ক্লাব ছাড়ার ব্যাপারটি নিয়ে তিনি কোনোভাবেই কোর্টে যেতে চাননি, "আমি কখনই এই ব্যাপার নিয়ে কোর্টে যেতে চায়নি। এটাই যদি ক্লাব ছাড়ার একমাত্র উপায় হয় তাহলে আমি থেকেই যাচ্ছি। কারণ এই ক্লাবকে আমি ভালোবাসি।"

বার্সেলোনা ছাড়ার ব্যাপারটি মেসি আগেই  প্রেসিডেন্ট হোসে মারিয়া বার্তোমেউকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট তার দেওয়া কথা রাখেননি বলে অভিযোগ করেছেন মেসি। ইউ টার্ন নিলেও ক্লাবের প্রতি তার নিবেদনে ঘাটতি পড়বেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি, "আমি বার্সেলোনাতেই থাকছি। যদিও আমি চলেই যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এরপরও ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো পরিবর্তন হবে না। আমি ক্লাব প্রেসিডেন্টকে আগেই জানিয়েছিলাম, এ বছর শেষে আমি চলে যেতে চাই। আমার মনে হয়েছে বার্সেলোনায় আমার সময় ফুরিয়ে গেছে। যদিও আমি সবসময় বার্সেলোনাতেই আমার ক্যারিয়ার শেষ করতে চেয়েছিলাম।"

ক্লাব প্রেসিডেন্ট বার্তোমেউয়ের সঙ্গে মেসির দূরত্ব তৈরি হওয়া নিয়ে এতোদিন বিস্তর গুঞ্জন ডালপালা মেলেছে। তবে মেসি প্রথমবারের মতো কথা বলেছেন সেসব নিয়ে। বার্তোমেউ তাকে দেওয়া কথা রাখেননি বলেই অভিযোগ মেসির, "আমি অনেক বেশি ভুগেছি এই বছর। অনুশীলনে, ম্যাচে- সবজায়গায়। প্রেসিডেন্ট আমাকে সবসময় বলে এসেছেন মৌসুম শেষে আমি থাকব না চলে যাব সেটা জানাতে পারব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি আমাকে দেওয়া কথা রাখেননি।" 

২০১৫ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর আরও তিনবার লা লিগা জিতলেও ইউরোপিয়ান শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে বার্সেলোনার। ক্লাবে থাকতে মেসি চেয়েছিলেন একটি ভালো প্রজেক্ট। মেসি বলছেন বোর্ড স্থায়ী প্রজেক্ট হাতে নিতে চায়নি, উলটো সময়ে সময়ে কিছু পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষত সারানোর চেষ্টা করেছিল, "আমি একটা উইনিং প্রজেক্ট চেয়েছিলাম যাতে শিরোপা জেতা যায় আর বার্সেলোনায় ঐতিহ্য ধরে রাখার পথে হাঁটে। কিন্তু আদতে অনেকদিন ধরে এর কিছুই হয়নি। বরং ঘুরেফিরে ছোটখাটো পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষত সারানোর চেষ্টা করেছে তারা (বোর্ড)।"

কোন মন্তব্য নেই