× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে ধানের শীষের প্রচারণায় যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে ২ জন আহত

 ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ 

পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ দিতে এসে পাবনা জেলা যুবদলের  দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন ছুরিকাঘাতসহ ১৫ জন আহত হয়েছে। 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় সাহাপুর গ্রামে এলাকায় এঘটনা ঘটে। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

জানা যায়, ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নিতে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদারসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ সোমবার ঈশ্বরদীতে আসেন। ঈশ্বরদী শহরে পথসভা ও গণসংযোগ শেষে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বিকাল ৩টায় হাবিবুর রহমান হাবিবের গ্রামের বাড়ি সাহাপুরের বাসভবনে যান।নেতাদের সঙ্গেই ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতৃবৃন্দ। সাহাপুরে মধ্যহৃভোজের পর পরই  পাবনা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানার সমর্থকদের সঙ্গে পাবনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তসলিম হাসান খান সুইট সমর্থকদের মধ্যে  কথাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে ছুরিকাঘাত হয়ে পাবনা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক  হিমেল রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক রানা মিয়া ও পাবনা জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক  সাদ্দাম হোসেন সহ ১৫ জন আহত হন। 

পাবনা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানা জানান, কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে কথা বলার জন্য আমরা হাবিবুর রহমান হাবিবের বাড়িতে অপেক্ষা করছিলাম। হঠাৎ করেই জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তসলিম হাসান সুইটের নেতৃত্বে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর হামলা করে। দলের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা কুচক্রী মহল সরকারের উদ্দেশ্য সফল করতে এমন  ঘটনা ঘটিয়েছে। 

তসলিম হাসান সুইট বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের বিব্রত করতে হিমেল রানা অহেতুক এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। 

হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, যুবদলের ছেলের মধ্যে ভুলবুঝাবুঝি হয়েছিল।  এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। 

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নাসীর উদ্দিন বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির কথা শুনেছি। কোন পক্ষই আমাদের কাছে অভিযোগ করেনি। অ্প্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। 


কোন মন্তব্য নেই