× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হল দুর্গাপূজা

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ   

 ঢাকের বাদ্য, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ষষ্ঠীতে শুরু হয় শারদীয় দুর্গাপূজা। পরের তিন দিন আনন্দের বর্ণিল ছটা ছড়িয়ে যায় সর্বত্র। আজ  সোমবার (২৬ অক্টোবর) সেখানে বাজলো বিষাদের করুণ সুর।

বছর ঘুরে আবার আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাখো ভক্তকে ভারাক্রান্ত করে ঘোড়ায় চড়ে বিদায় নিলেন দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা। এরই মধ্য দিয়ে শেষ হলো সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

সারাদেশের মতো প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে ঈশ্বরদীর সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হয়েছে।

পদ্মা নদীর পাকশী, সাঁড়া ঘাট, আরামবাড়িয়া ঘাটে  ‘দুর্গা মা কি, জয়। মহামায়া কি, জয়।’ একের পর এক এমন জয়ধ্বনি, ঢাক-ঢোল, কাঁসর ও ঘণ্টা বাজিয়ে প্রতিমা বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।বিকাল থেকে ঈশ্বরদীর বিভিন্ন মন্দির থেকে ২৮টি প্রতিমা এখানে বিসর্জন দেওয়া হয়। এ সময় অনেক ভক্ত কান্নায় ভেঙে পড়েন। সৃষ্টি হয় হৃদয় বিদারক দৃশ্যের।

এদিন সকাল সকালে দেবী বিসর্জনের লগ্ন শুরু হয়। ফলে সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে নামে ভক্তদের ঢল। এসময় মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি, মন্ত্রপাঠ, উলুধ্বনি, অঞ্জলি, নাচ, সিঁদুর খেলা হয়। মুখরিত হয়ে ওঠে মণ্ডপ প্রাঙ্গণ। ধান, দুর্বা, মিষ্টি আর আবির দিয়ে দেবীকে বিদায় জানান ভক্তরা।

সকালে দেওয়া হয় দর্পণ ঘট বিসর্জন। এমনই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুর্গতিনাশিনী দেবী বাবার বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে গেলেন স্বামীগৃহে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অসুর শক্তি বিনাশকারী দেবী বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী থেকে সব অপশক্তির বিনাশ হবে। শান্তির সুবাতাস ছড়িয়ে যাবে সবখানে।

প্রতিমা বিসর্জনের সময় পদ্মা পাড়ে হাজারো ভক্ত ও দর্শনার্থী ভিড় জমান। অনেকে প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌকায় করে নদীতে আনন্দ-উৎসব করেন। আবার অনেকে মায়ের বিদায়ের বিরহে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ উপলক্ষে পাকশী ও সাঁড়া ঘাট  এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

কোন মন্তব্য নেই