× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



মেহেদির রং না মুছতেই লাশ হয়ে ফিরলো ঈশ্বরদীর মেয়ে ভাবনা


ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ 

মেহেদির রং এখনো মুছে যায়নি। মাত্র ১৫দিন পূর্বে নিজের পছন্দের প্রেমিক সোহেলকে বিয়ে করেছিল ঈশ্বরদীর পিয়ারখালীর মেয়ে সাহিদা খাতুন ভাবনা (২৩)। পারিবারিক কলহের জেরে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বাশুড়ির বিরুদ্ধে। শ্বাশুড়ি ঝরনা খাতুনকে পুত্রবধূ হত্যায় জড়িত সন্দেহে আটক করেছে ভেড়ামারা থানা-পুলিশ।

সোমবার বিকেল সাড়ে  ৩টার দিকে কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ঠাকুর দৌলতপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহত ভাবনা খাতুন ঈশ্বরদী উপজেলার পিয়ারপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম আকালীর কন্যা এবং ভেড়ামারা উপজেলার ঠাকুর দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা মহিবুল ইসলামের ছেলে সোহেল এর স্ত্রী।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানায়, ১৫ দিন আগে ঈশ্বরদী উপজেলার পিয়ারপুর গ্রামের মেয়ে ভাবনা খাতুন এবং সোহেলের বিয়ে হয়। তারা নিজেরাই পছন্দ ও সম্পর্ক করে বিয়ে করেন। এরই মধ্যে পারিবারিক কলহের জেরে সোমবার দুপুরে শাশুড়ি ঝরনা খাতুনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় ভাবনা খাতুনের। এ সময় ঝরনা খাতুন পুত্রবধূ ভাবনা খাতুনের গলা টিপে ধরেন। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান ভাবনা।

হত্যাকাণ্ডের এই ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে ঝরনার পরিবার গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশীদের। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে  স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক পুলিশে খবর দেয়।

উপজেলার বাহাদুরপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংবাদ পেয়ে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে। ময়না তদন্তর জন্য মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।  

কোন মন্তব্য নেই