× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে ‍পুলিশের ব্যারাক থেকে ফেন্সিডিল উদ্ধারঃ কনস্টেবল কারাগারে


ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার পুলিশ ব্যারাকে অবস্থানরত নাইম নামে এক কনস্টেবলের ট্রাঙ্ক থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার পাবনা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া কনস্টেবল নাইম হোসেন পুলিশ সুপারের নিকট জিজ্ঞাসাবাদে জানান, ওই ফেনসিডিল রেল থানার ওসি গোপাল কুমার দাস ও সেকেন্ড অফিসার রঞ্জন কুমার বিশ্বাসের নির্দেশে তিনি তার নিজস্ব ট্রাঙ্কের মধ্যে লুকিয়ে রাখেন।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার একাধিক পুলিশ সদস্য জানান, গত বুধবার রাজশাহী থেকে ঢালারচর অভিমুখী ঢালার চর এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে ২৬৪ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা ফেনসিডিলের মধ্যে ২৫ বোতল ফেনসিডিল পুলিশের গাড়ি থেকে গোপনে সরিয়ে নিজের ট্রাঙ্কে রাখার সময় ঘটনাটি ব্যারাকে থাকা অন্য এক কনস্টেবলের চোখে পড়ে। ঘটনাটি রেলওয়ে জেলা পাকশীর পুলিশ সুপার শাহাব উদ্দিনকে সঙ্গে সঙ্গে অবহিত করেন তিনি। ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে ঘটনাটি তদন্ত করার নির্দেশ দেন তিনি। পরে বৃহস্পতিবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইমসহ পুলিশ সদস্যরা ব্যারাকে গিয়ে কনস্টেবল নাইমের ট্রাঙ্ক থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ওসি ও দ্বিতীয় কর্মকর্তাকে একাধিকবার মোবাইলে কল করা হলেও ওসির মোবাইল বন্ধ ছিল এবং দ্বিতীয় কর্মকর্তা মোবাইল রিসিভড করেননি।

তবে পুলিশ সুপার শাহাব উদ্দিনকে মুঠোফোনে প্রশ্ন করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ জিরো টলারেন্স, ফলে মাদক ব্যবসার সঙ্গে কোন পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতভর কনস্টেবল নাইমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরো কিছু তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়েছে। শুক্রবার তাকে পাবনা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই