× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে কর্মসৃজন প্রকল্পের টাকা হরিলুট! টিআর প্রকল্পে পিআইও’র থাবা

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ 

ঈশ্বরদীতে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান-কর্মসূচী (কর্মসৃজন) প্রকল্পের বরাদ্ধের টাকা হরিলুটের অভিযোগ । এছাড়াও টিআর প্রকল্পে থাবা বসিয়ে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে পিআইও। জানা গেছে, ভুয়া শ্রমিকের তালিকা করে লাখ লাখ টাকা লোপাট করা হয়েছে ঈশ্বরদীর ৭ ইউনিয়নে । কর্মপরিকল্পনায় উলেণ্ঢখিত প্রকল্পে কাজ না করে ভূয়া নামের তালিকা বানিয়ে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত দেখভাল কর্মকর্তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায়। লোপাটকৃত অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা করা হচ্ছে ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, ট্যাগ অফিসার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও প্রকল্প দেখভালকারী কর্মকর্তার মাঝে। 

যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য  নিয়ে সরকার এই প্রকল্প চালু করেছে কার্যত তা ভেস্তে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন অনেকে। তবে লোপাট হওয়া টাকার একটি বড় অংশ উপর মহলে  দিতে হয় বলে জানা গেছে । সূত্র জানায়, এরই মধ্যে ঈশ্বরদীতে প্রথম কিস্তির ৪০ দিনের কর্মসংস্থান-কর্মসূচী (কর্মসৃজন) প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে । দ্বিতীয় কিস্তির কাজ অল্প দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে জানা গেছে। 


সূ্ত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ঈশ্বরদীতে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান-কর্মসূচী (কর্মসৃজন) প্রকল্পের ৪০ দিনের জন্য প্রায় ২ কোটি টাকা বরাদ্ধ আসে । সেই বরাদ্ধ উপজেলার ৭ ইউনিয়নে খন্ড খন্ড প্রকল্পে ভাগ করে দেওয়া হয়। প্রতিটি প্রকল্পে যারা কাজ করে তাদের দৈনিক হাজিরা ২০০ টাকা । সেখানে প্রতিটি প্রকল্পে একজন করে সরদার থাকবে । তার হাজিরা একটু বেশি । এই তালিকা বেশিরভাগই ভুয়া নাম দিয়ে করা হয় । সরেজমিন কয়েকটি প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেকা যায়, প্রতিটি প্রকল্পেই কাজ করছে অর্ধেকেরও কম শ্রমিক। বাকিদের কোন অস্থিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি । নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শ্রমিক জানান, পিআইসিরা তাদের কাছ থেকে আগেই সব সই- স্বাক্ষর করে নিয়েছেন ।

তাছাড়া অনেকের নাম আছে অথচ তাদের কোনদিন প্রকল্প এলাকায় দেখা যায়নি। জানা যায়, বর্তমানে একজন শ্রমিকের মুজুরি ৪০০ টাকা। সেখানে মাত্র ২০০ টাকায় কোন শ্রমিক কাজ করতে আসতে চাই না। এজন্য তালিকায় অনেক গড়মিল করতে হয় সংশ্লিষ্টদের। উপর মহল ‘ম্যানেজ’‌‌‌‌‍ থাকায় এ কাজটি সহজ হয় বলে জানা যায় । নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সচিব জানান, তাদের বরাদ্ধের অংশ থেকে পিআইও কে দিতে হয়েছে ‘লাখ টাকা’ ।

বিষয়টি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন ভুক্তভোগীরা। ‌‌‌‌‌

কোন মন্তব্য নেই