× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



পাবনা কলগার্লের সঙ্গে ফুর্তি করতে গিয়ে লাশ হলেন যুবক

কলগার্লের সঙ্গে ফুর্তি করতে গিয়ে লাশ হলেন যুবকইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ

পাবনার চাটমোহরে পলাশ হোসেন (৩৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২০ মার্চ) চাটমোহরের সমাজ বাজারের পাশে গুমানী নদীর ক্যানেল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত পলাশ হোসেন নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার পাকা গ্রামের কুরবান আলীর ছেলে। তিনি ট্রাক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

এ ঘটনায় রোজিনা খাতুন সাথী (২৪) নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের খতবাড়ি গ্রামের মৃত হাফিজুর রহমানের স্ত্রী।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ মার্চ) দিবাগত রাতে সাথী নামের ওই কলগার্লকে নিয়ে চাটমোহর উপজেলার সমাজ বাজারের নির্জন একটি বাগানে অবস্থান করছিলেন পলাশ। রাত তিনটার দিকে ওই নারী সমাজ বাজারের ডিউটিরত থাকা নৈশ প্রহরী আব্দুল, দয়াল ও নজরুলের কাছে ছুটে গিয়ে পলাশকে কিছু লোক মারধর করছে বলে জানান।

নৈশ প্রহরীরা নারীকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। না পেয়ে তারা চাটামাহরের হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেন। পুলিশ এসে পলাশের মোটরসাইকেলটি জব্দ করে ওই নারীকে আটক করে।

পরে শনিবার (২০ মার্চ) দুপুরে চাটমোহরের সমাজ বাজারের পাশে গুমানী নদীর ক্যানেলে পলাশের মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। এ সময় মরদেহটি কিছুটা মাটি চাপা দেয়া ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

স্থানীয়রা জানান, পলাশ প্রায় তিনবছর আগে চাটমোহর উপজেলার সমাজ মিয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল মুতালিবের মেয়ে মৌসুমী খাতুনকে বিয়ে করে সমাজ গ্রামেই বসবাস করে আসছিলেন। সেখানে স্ত্রী, সন্তান নিয়ে তিনি ভাড়া বাসায় থাকতেন। পলাশ ড্রাইভার নামে তিনি এলাকায় পরিচিত ছিলেন।

jagonews24নিহতের শ্বশুর আব্দুল মুতালেব বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে পলাশ তার মেয়েকে বিয়ে করে। তার মেয়ে পলাশের দ্বিতীয় স্ত্রী। পলাশও তার মেয়ের দ্বিতীয় স্বামী। বিয়ের পর থেকে মিনি ট্রাকসহ ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালাতো। কী কারণে, কারা তাকে হত্যা করেছে, তা তিনি জানেন না।’

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘নারীঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পলাশকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে কাটা দাগ রয়েছে। কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে ও আটক রোজিনা ওরফে সাথীকে জিজ্ঞাসাবাদে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা কুরবান আলী মামলা দায়ের করেছেন’


কোন মন্তব্য নেই