× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



পৌর ভবনের ভেতরে কাদের মির্জা বাইরে পুলিশ

পৌর ভবনের ভেতরে কাদের মির্জা বাইরে পুলিশ

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর ডেস্কঃ 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার প্রকাশ্য প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যদিকে আবদুল কাদের মির্জা গতকাল থেকেই পৌরসভা ভবনের ভেতরে অবস্থান করছেন। তার সঙ্গে সেখানে অল্প কয়েকজন কর্মী আছেন। পৌরসভা ভবন চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে পুলিশ। 

বসুরহাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে তিন শতাধিক পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্য। বর্তমানে সেখানে অবস্থান করছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের একজন পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। পুলিশের দাবি, বসুরহাটে এখন স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে, কোনো ধরনের সমস্যা নেই। 

পুলিশ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে গুজব ছড়িয়ে পড়ে গভীর রাতে কিংবা শুক্রবার ভোরে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জাকে গ্রেফতার করতে পারে পুলিশ। এ নিয়ে উৎকণ্ঠা ছিল সবার মাঝে। ভোরের আলো ফোটার আগেই সেখানে পৌঁছে যান অনেক গণমাধ্যমের কর্মী। কিন্তু পরিস্থিতি ছিল আগের মতোই। কাদের মির্জা তার পৌরসভা কার্যালয়েই রয়েছেন। পৌরসভা ভবনের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশের বেশ কয়েকটি দল। তারা রাতভর সেখানে নির্ঘুম ছিল।

এদিকে মঙ্গলবার সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় যান। কিন্তু এজাহার থেকে প্রধান আসামি কাদের মির্জাকে বাদ দেওয়াসহ কিছু ত্রুটির থাকা কথা বলে পুলিশ সেটি গ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছেন এমদাদ হোসেন।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিকালে বসুরহাটের রূপালী চত্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খানের ওপর হামলার প্রতিবাদে সভা চলাকালে সভাস্থলের পাশে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল ও সেতুমন্ত্রীর ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দ্বিতীয় দফায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে যুবলীগ কর্মী আলাউদ্দিন (৪০) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। আহত হয় অর্ধশতাধিক। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন। পৌরসভা নির্বাচনের সময় থেকে বিভিন্ন বিস্ফোরক বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসা কাদের মির্জার সমর্থকদের সঙ্গে এরই মধ্যে প্রতিপক্ষের সমর্থকদের দুবার সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে এবং দুজন নিহত হন।

কোন মন্তব্য নেই