× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



সাইবার হামলা: ব্যাংকগুলোকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ

সাইবার হামলা: ব্যাংকগুলোকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালিয়েছে হাফনিয়াম নামের একটি হ্যাকার গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে এই হ্যাকার গোষ্ঠী। নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম মনিটর করার সময় এই হামলার বিষয়টি শনাক্ত হয়। মূলত মাইক্রোসফট সার্ভারের মাধ্যমে হামলা করে চীনের এই গ্রুপ।

হামলার বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম (সার্ট)। গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন সার্টের প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহ।

এ ব্যাপারে প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশে এ রকম ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও বাংলাদেশ ব্যাংকে সাইবার হামলা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে এই হামলাগুলো হয়েছে। এর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে সাইবার হামলার ব্যাপারে আরো কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তিবিদরা। তাঁরা বলছেন, এর ফলে হ্যাকাররা শুধু দেশের তথ্যই নেয় না, তারা ব্যক্তিগত তথ্যও হাতিয়ে নেয়।


সার্ট বলছে, ব্রাজিলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হ্যাকার গ্রুপটি আক্রমণ করেছে। বাংলাদেশে ২০০-এর অধিক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরকারি, বেসরকারি ব্যাংক, আর্থিক, সেবামূলকসহ নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই হামলার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। এ বিষয়ে তারেক এম বরকতউল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা তথ্য পর্যালোচনা করে দেখেছি যে দেশের যেসব প্রতিষ্ঠান উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমস বিশেষ করে মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ সার্ভার ব্যবহার করছে, হাফনিয়াম হ্যাকাররা তাদের আক্রমণ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, এই হ্যাকাররা সাধারণত ই-মেইলে থাকা তথ্য চুরিসহ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো করতে পারে। বাংলাদেশে এমন হ্যাকিং বন্ধ করার পদক্ষেপ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলেন, ‘আমাদের সবার এ বিষয়গুলো নিয়ে সতর্ক হতে হবে, বিশেষ করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে। আমাদের দেশের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান এ সম্পর্কে উদাসীন।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংক আছে, যারা সাইবার নিরাপত্তায় বিনিয়োগ করতে চায় না। ফলে দেখা যায় সাইবার হামলার শিকার হয় তারা।’

কোন মন্তব্য নেই