× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে ২২ ঘন্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু


ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ

ঈশ্বরদী বাজারের গুড় পট্রির মুদি দোকানদার দিলীপ স্টোরের স্বত্বাধিকারী দিলীপ সরকার (৬০) ও তাঁর স্ত্রী সুমিত্রা রানী (৫৫)  ২২ ঘন্টার ব্যবধানে মারা গেলেন। দু’জনের আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁদের অরণকোলা নিজ বাড়িতে  চলছে শোকের মাতম। 

দিলীপ সরকারের মেজ ছেলে ঈশ্বরদী কাঁচা বাজারের মুদি দোকানদার (তৃপ্তি স্টোরের স্বত্বাধিকারী) খোকন সরকার জানান,  আমার মা ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। শনিবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরলে হাসপাতালে নেয়ার প্রস্তুতির সময়  রাত ১২টায় তিনি মারা যান। পরের দিন রবিবার তাঁকে ঈশ্বরদী পৌর শ্মশানে সমাহিত করা হয়। 

আমার বাবা হৃদরোগে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন। শনিবার মায়ের মৃত্যুর পর বাবা শোকাহত হয়ে পড়েন।রবিবার সন্ধ্যায় বাবা শারীরিকভাবে আরো অসুস্থ হয়ে পরলে তাঁকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত রাজশাহী নেয়া নেয়ার পথে রাত ১০টায় বনপাড়ায় তিনি মারা যান।  

দিলীপ সরকারের বড় ছেলে পিয়াস সরকার হারু জানান, মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে বাবা-মায়ের মৃত্যু আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আত্মীয়স্বজন সবাই স্তব্দ হয়ে গেছে। বাবা মায়ের এমন মৃত্যু যেন কোন সন্তানকে না দেখতে হয়। 

দিলীপ সরকারের ভাগিনা চঞ্চল সরকার জানান, আমার মামা ও মামির বিয়ে হয়েছে প্রায় ৪০ বছর। এই দীর্ঘ সময় ধরে আমরা দেখেছি কোথাও বেড়াতে গেলে মামা-মামি একসঙ্গে যেতেন। দু’জনের মিল ছিল অসাধারণ। কখনও আমরা তাদের ঝগড়া বিবাদ করতে দেখিনি। সেজন্য হয়তো সৃষ্টিকর্তা তাদের একসঙ্গেই নিয়ে গেলেন।

এদিকে, দিলীপ সরকার ও সুমিত্রা রানীর কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে মৃত্যুর খবরে  অরণকোলা গ্রাম জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। শত শত মানুষ সোমবার সকালে দিলীপ সরকারের বাড়িতে ভিড় জমায়।


কোন মন্তব্য নেই