× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদী মাদকে ভরপুর, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা

মদ-গাঁজা-ইয়াবায় ভরপুর ঈশ্বরদী, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প (আরএনপিপি) ঘিরে রাশিয়ানসহ বিভিন্ন বিদেশি নাগরিকদের ঈশ্বরদী-রূপপুর-দিয়াড় সাহাপুরে বসবাস। তাদের সঙ্গ দিচ্ছেন এ দেশীয় শ্রমিক ও দোভাষিরা। বিগত সময়ের তুলনায় বর্তমানে ঈশ্বরদীতে ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়েছে মদ, চোলাই মদ, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ নানা ধরনের মাদক। রাশিয়ানদের হাত হয়ে নানা রকম মদ যাচ্ছে বাঙালিদের হাতে। আর বাঙালিদের হাত হয়ে গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল যাচ্ছে রাশিয়ানসহ আরএনপিপিতে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের হাতে। কিশোর, যুবক, মধ্য বয়সীসহ ছাত্রদের হাতেও দেখা যাচ্ছে মদের বোতল। তাতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় অভিভাবকরা।

বর্তমানে মাদকে ভরপুর হয়ে গেছে গোটা ঈশ্বরদী। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নারী ও জুয়া ব্যবসা। আর তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এর মধ্যেই স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক নজরদারি রাখা হচ্ছে। 

রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ি, থানা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঈশ্বরদী সার্কেল অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ঈশ্বরদীতে বর্তমানে মদসহ মাদকের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। রূপপুর প্রকল্পে কর্মরত রাশিয়ানদের সাংস্কৃতি অনুসারে তাদের নিকট লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদ বিক্রেতা মদ বিক্রয় করবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ওই দোকানীরা অবৈধভাবে বাঙালি যুবসমাজের নিকট মদ বিক্রয় করাটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। এভাবে যার তার নিকট মদ বিক্রয় করা অব্যহৃত থাকলে যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঈশ্বরদী সার্কেলের পরিদর্শক ছানোয়ার হোসেনের অনুপস্থিতিতে সহকারী পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত রাশিয়ানসহ বিদেশি নাগরিকদের কথা বিবেচনা করে সরকার উপজেলার চর সাহাপুরে মদের একটি বারের লাইসেন্স দিয়েছে। তার পাশেই রাশিয়ানদের মালিকানাধীন অর্গানাগোস্তরায় নামক একটি কম্পানির পক্ষ থেকে রেসপবলিকা নামক একটি মদের বার ও ক্লাব চালু করা হয়েছে। সেটার কোনো লাইসেন্স নেই। সেখানে শুধু মাত্র ২৮০ জন রাশিয়ানসহ বিদেশি নাগরিক মদ পান করেন। এ ছাড়া  যেসব জায়গায় মদ বিক্রয় করা হচ্ছে সেগুলো অবৈধ। বর্তমানে ঈশ্বরদীতে মাদকদ্রব্যের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায়ই অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন এই কর্মকর্তা। 

রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) আতিকুল ইসলাম আতিক জানান, প্রকল্পে কর্মরত রাশিয়ানসহ বিদেশি নাগরিকরা তাদের সঙ্গে কাজ করা এ দেশের কিছু শ্রমিক ও দোভাষির মাধ্যমে গাঁজা গ্রহণ করছে। এই সুবাদে এ দেশের শ্রমিক ও দোভাষিরা রাশিয়ানদের নিকট থেকে মদ নিচ্ছে। এই কারণে এলাকায় মাদকের ব্যাপকতা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারিতে রেখে প্রায়ই মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করে মামলা প্রদান করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। 


কোন মন্তব্য নেই