× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক

সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ২নং নলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাসুম বিল্লাহকে (৩৫) ৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করেছে জয়পুরহাট বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জয়পুরহাট ২০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধীন বিজিবির একটি টহল দল ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা বাংলা হিলি থেকে গত ২৩ এপ্রিল তাকে আটক করে হাকিমপুর থানায় হস্তান্তর করে। 

আটক মো. মাসুম বিল্লাহ সাদুল্লাপুর উপজেলার ২নং নলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও একই উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া এলাকার আব্দুস ছাত্তার মন্ডলের ছেলে। সোমবার হাকিমপুর থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, আটক মাসুম বিল্লাহ’র বিরুদ্ধে গত ২৩ এপ্রিল থানায় মাদকদ্রব নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা জানান, মাদকাসক্ত প্রধান শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ’র কারণে ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অতীত ঐতিহ্য এবং খ্যাতি আজ ম্লান হতে চলছে। তারা অবিলম্বে এই মাদকাসক্ত ও বখাটে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেন।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য ও নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য হাফিজার রহমান পাটোয়ারী অভিযোগ করে বলেন, মাসুম বিল্লাহ সরকারি কোনো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছামতো মাসে দুই-একদিন বিদ্যালয়ে এসে একদিনেই হাজিরা খাতায় এক মাসের স্বাক্ষর করেন। নিয়মিত বেতন ভাতা উত্তোলন করেন। ফলে বিদ্যালয়টির দৈনন্দিন বিভিন্ন ধরনের স্বাভাবিক কার্যক্রমসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজকর্ম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের একাধিক এলাকাবাসী জানান, মাসুম বিল্লাহ দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় মাদক ব্যবসা করেন। তারা আরো জানান, তিনি এর আগেও ফেন্সিডিলসহ বাংলা হিলিতে পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন। 

সোমবার সাদুল্যাপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহিশ শাফি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে অইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মাদক মামলার তথ্যাদিসহ তার যাবতীয় অনিয়ম দুর্নীতির ফিরিস্তি গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

সোমবার বিকেলে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. হোসেন আলী বলেন, তার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুনীর্তির জন্য এর আগে দুইবার শোকজ করা হয়েছিল। তিনি কোনো জবাব দেননি। এখন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা হলেই তাকে বরখাস্ত করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই