× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



আমার প্রচণ্ড লজ্জা লাগছে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হককে নিয়ে গতকালের ঘটনাপ্রবাহে আমার প্রচণ্ড লজ্জা লাগছে। হেফাজতে ইসলামের যে নেতারা তাকে সমর্থন করেন তাদের কেমন লাগছে জানি না।’

আজ রোববার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কেবল অপারেটর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, ‘মামুনুল হকসহ যেসব নেতা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছেন, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালিয়েছেন এবং হেফাজতে ইসলামের যে নেতারা তাদের সমর্থন করেন তাদের কেমন লাগছে জানি না, কিন্তু মামুনুল হককে নিয়ে গতকালের ঘটনাপ্রবাহে আমার প্রচণ্ড লজ্জা লাগছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেশের নাগরিক এবং একজন মুসলমান হিসেবে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানাব, নিজেকে আলেম হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভণ্ড লেবাস ধরে যারা ইসলামকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে, নানা ফতোয়া দেয়, গরম গরম বক্তৃতা দেয় আর নিজের জীবন ইসলামসম্মতভাবে পরিচালনা করে না, সেই সব নষ্ট ও ভণ্ড নেতাদের বর্জন করার জন্য।’

হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘যখন হেফাজতের ব্যানারে মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালানো হচ্ছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম-নারায়ণগঞ্জে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে, নিপুন রায় যখন টেলিফোন করে তার কর্মীকে বাসে আগুন দিতে বলে আর গয়েশ্বর রায় সেটাকে সমর্থন দেন- তখন বুঝতে হবে, এটা ইসলামকে রক্ষা বা হেফাজতের জন্য নয়, নরেন্দ্র মোদির আগমনের বিষয়েও নয়, বরং ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য দেশে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্যই এসব।’

কেবল নেটওয়ার্ক পরিচালনা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ ডিজিটাল হয়ে গেছে, কেবল নেটওয়ার্ক সিস্টেমকেও ডিজিটাল হতে হবে। কারণ এটি না হলে, গ্রাহকরা ঠিক সেবা পাচ্ছে না, টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সরকারও ঠিক রাজস্ব পাচ্ছে না।’

বিশেষ কিছু ব্যক্তির হাতে এই নেটওয়ার্ক কুক্ষিগত থাকতে পারে না- উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘দেখা গেছে, একেকজন কেবল নেটওয়ার্ক লাইসেন্সধারী লাখ লাখ সংযোগ দিয়েছেন, কিন্তু হিসাবের খাতায় দু-দশ হাজার দেখাচ্ছেন। মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করবে, যিনি যে এলাকার জন্য লাইসেন্স পেয়েছেন সেই এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেন, সেজন্য প্রয়োজনে আমরা কোর্ট পরিচালনা করব।’

নবায়ন না করার ফলে এরইমধ্যে এক হাজার ২০০ লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে আত্মপ্রকাশের শর্তে নতুন অপারেটররা লাইসেন্স পাবেন।’

বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) সিনিয়র সহসভাপতি মোজাম্মেল বাবু, কেবল অপারেটর প্রতিনিধিদের মধ্যে এস এম আনোয়ার পারভেজ, এ বি এম সাইফুল হোসেন, মোহাম্মদ নাজমুদ্দোহা, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কোয়াব প্রশাসক মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল হায়দার, মন্ত্রণালয় ও বিটিভির কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

কোন মন্তব্য নেই