× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদী পৌরসভার ২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজে ধীরগতি,দূর্ভোগ পোহাচ্ছে পৌরবাসী


২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজে ধীরগতি
                                                                                                     ঈশ্বরদী স্টেশন রোড থেকে ছবিটি তোলা। 

ঈশ্বরদী পৌরসভায় তৃতীয় নগর পরিচালনা ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ (ইউজিআইআইপি-৩) প্রকল্পের ২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ ১১ মাসেও শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিল না পাওয়ায় ও সড়কে গাছ থাকায় সময় মতো কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। এদিকে পৌরসভার উন্নয়নমূলক কাজের এ ধীরগতির কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পৌরবাসীকে।

মাসের পর মাস রাস্তা, ড্রেনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক এসব কাজে দীর্ঘসূত্রতার কারণে জনদুর্ভোগে নাকাল ঈশ্বরদীবাসী। শহরের প্রধান সড়কে ভাঙা ড্রেন ও খোঁড়াখুঁড়ির কারণে যাতায়াতের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন অসহনীয় যানজট হচ্ছে রাস্তায়। ধুলাবালুতে একাকার আশপাশের দোকানপাট ও বাড়িঘর। রাস্তায় লেগে থাকা যানজটের কারণে প্রতিদিন যানবাহনের চালকদের সঙ্গে পথচারীদের ঝগড়া, হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে।

গত বছর মে মাসের ৫ তারিখ থেকে একযোগে ঈশ্বরদী পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ২১ কিলোমিটার রাস্তা ও ড্রেনের কাজ শুরু হয়। দরপত্র অনুযায়ী ২ মের মধ্যে এসব কাজ শেষ হওয়ার কথা। তবে অবস্থা দেখে সংশ্নিষ্টরা ধারণা করেছেন, এ সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা প্রায় অসম্ভব। এদিকে ঈশ্বরদী শহরের মেইন রোডে ছয় মাস ধরে ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণের কাজ ধীরগতিতে চলছে। এতে মানুষের দিন কাটছে দুর্ভোগের মধ্যে। রাস্তার দুই পাশে ড্রেন নির্মাণ করার জন্য বক্স কাটিং করে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মূল রাস্তার ওপর ইট, বালু, সিমেন্ট, পাথরসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী স্তূপ করে রাখায় রাস্তার এক-তৃতীয়াংশ কার্যত বন্ধ রয়েছে।

ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, সাঁড়াগোপালপুরে একাধিক রাস্তায় ৮-৯ মাস আগে ইটের খোয়া বিছিয়ে রাখা হয়েছে। এখনও তা রোলার দিয়ে সমানও করা হয়নি। এ অবস্থায় এসব রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। এ ছাড়া রাস্তার কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে। ঈশ্বরদী পৌরসভার এসব কাজ করছে নাটোরের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এসব বিষয়ে ঠিকাদার মাহবুবুর রহমান জেমস বলেন, কাজের বিল না পাওয়ায় এবং গাছ কাটার অনুমতি না থাকায় কাজের এই ধীরগতি। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত গাছ কাটা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি সরানোর জন্য পাঁচবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সময় মতো কাজ শেষ করা দুরূহ হয়ে পড়েছে।

প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, প্রকল্পের যে নিয়ম আছে, তা শতভাগ মানা সম্ভব নয়, যতটুকু সম্ভব তা মানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ঈশ্বরদী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল বলেন, বরাদ্দ না পাওয়ার কারণে কাজ শেষ করতে সময় লাগছে।

ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র ইছাহক আলী মালিথা বলেন, রাস্তার পাশে রেলের জায়গা থাকায় কাজে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে রাস্তার মাঝে যেসব ঝুঁকিপূর্ণ গাছ রয়েছে, তা কাটার অনুমতি পেলেই কাজ শুরু হবে। এরই মধ্যে পৌরসভার উদ্যোগে জনদুর্ভোগ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সূত্র-দৈনিক সমকাল। 

কোন মন্তব্য নেই