× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীতে শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘে হামলা, বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর


ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিনিধিঃ 

ঈশ্বরদীতে শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘে হামলা চালিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ও অফিস কক্ষের চেয়ার টেবিল ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। 

শুক্রবার (২৮ মে) রাত ৮টায় ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া  ইউনিয়নের খারজানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময় আল-আমিন (১৮) নামে এক যুবককে মারধর করা হয়। 

স্থানীয়রা জানান, খারজানির পাশের গ্রাম কামালপুর মৃধাপাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মুকুলের সঙ্গে কামালপুর হঠাৎ পাড়ার বারেক হোসেনের ছেলে লিমনের শুক্রবার সকালে খারজানি মোড়ে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়। এঘটনার জের ধরে শুক্রবার রাত ৮টায় লিমন ২৫ থেকে ৩০জন সঙ্গে নিয়ে খারজানি মোড়ে মুকুলকে খোঁজতে থাকে। একপযায়ে খারজানি মোড়ে শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘে মুকুলের  আত্মীয় আল-আমিনকে দেখতে পায় লিমন। এসময় তারা শেখ রাসেল সংঘের ভিতরে ঢুকে আল-আমিনকে মারধর। এরপর হঠাৎ করেই হামলাকারীরা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি, চেয়ার,টেবিল, আসবাবপত্র ভাংচুর করে।

স্থানীয় বাসিন্দা যুবলীগ নেতা শরীফ আহম্মেদ রুমন ইতিহাস টুয়েন্টিফোরকে বলেন, হামলাকারী মিজান, মন্টু, কালাম ও লিমনসহ সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘে হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। 

 খারজানি গ্রামের বাসিন্দা ও শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের প্রধান পৃষ্টপোষক বঙ্গবন্ধু কৃষি পদকপ্রাপ্ত খামারী আকমল হোসেন ইতিহাস টুয়েন্টিফোরকে  বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। ব্যক্তিগত তর্কাতর্কির ঘটনার জের ধরে শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘে হামলা চালাতে পারে না। এর পেছনে রাজনৈতিক কোন উদ্দেশ্যে রয়েছে। আজ বিকালে দাশুড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে বৈঠকে বসবেন। এরপর এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।   


কোন মন্তব্য নেই