× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



ঈশ্বরদীর ব্যবসায়ী শাকিল হত্যার রহস্য উদঘাটন, স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের হাতে খুন

স্ত্রী মিম, ছোট ভাই সাব্বির। ইনসেটে নিহত শাকিল।

ইতিহাস টুয়েন্টিফোর প্রতিবেদকঃ 
ঈশ্বরদীর আলোচিত কাপড় ব্যবসায়ী শাকিল আহমেদ (৩২) হত্যাকান্ডের  রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার  করেছে পুলিশ।  

  বুধবার  (২ জুন) পাবনার   পুলিশ   সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম  এক প্রেস ব্রিফিং এ শাকিলের ছোট ভাইয়ের সঙ্গে স্ত্রীর পরকীয়া এবং সম্পত্তির ভাগভাটোয়ারা নিয়ে শাকিল আহমেদকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। শাকিল হত্যায় জড়িত স্ত্রী মিম খাতুন (২০) এবং আপন ছোট ভাই সাব্বির (২২) কে পুলিশ সন্দেহজনক ভাবে ঘটনার রাতেই গ্রেফতার করে।

 ইতোমধ্যে স্ত্রী মিম ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেবলে জানা গেছে। এই হত্যার রহস্য নিয়ে প্রথমে পুলিশ কোন ক্লু খোঁজে না পেলেও।পরে    তথ্য   প্রযুক্তি   ব্যবহার   করে    ২৪   ঘন্টার মধ্যেই ২জন আসামীকে গ্রেফতার করে। পরে থানায় জিজ্ঞাসাবাদে নিহত   শাকিলের   স্ত্রী   ও   ভাই   হত্যার   সাথে   জড়িত   থাকার   বিষযটি স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। পুলিশ সুপার জানান, বিয়ের পর হতেই নিহত শাকিলের স্ত্রী মিমের সাথে   ছোট  ভাই   সাব্বিরের   পরকীয়া  প্রেমের   সম্পর্ক   গড়ে   উঠে।এছাড়াও শাকিলের সাথে বাবা-মা ও একমাত্র ছোট ভাইয়ের জমিজমা ওপুকুরে মাছ চাষের ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ ছিলো। স্ত্রী মিম ও সাব্বিরের   পরকীয়ার   বিষয়টিও   শাকিল   টের পায়।যেকারণে  ১৯ মে স্ত্রীকে নিয়ে শহরের রূপনগর কলেজ পাড়া মহল্লায় জনৈক আহসান হাবীবেরবাড়ীর ২য় তলায় ভাড়াটিয়া হিসাবে উঠে। কিন্তু সাব্বির গোপনেএকটি   মোবাইল   ফোন   মিমকে   দেয়,   যা   মিম   লুকিয়ে   রেখে   শুধু সাব্বিরের   সাথে   গোপনে   কথা   বলতো   এবং   বাড়ী   ফাঁকা   পেলে ঘনিষ্টভাবে মিশতো। এক পর্যাযে ভাবি ও দেবর শাকিলের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়  এবং   শাকিলকে  হত্যার  পরিকল্পনা  করে।  

 পূর্বপরিকল্পনা  অনুযায়ী স্ত্রী মিম ২৭ মে রাতে পানির সাথে তিনটি ঘুমের ট্যাবলেট গুড়া করেমিশিয়ে দেয়। ওষুধের প্রভাবে ২৮ মে শাকিল সারাদিন শুধু ঘুমাতে থাকে। সন্ধ্যার পরে সাব্বির গোপনে শাকিলের বাসায় যায়। শাকিল তখনো   ঘুমের   ঔষধের   প্রভাবে   ঘুমাচ্ছিল।   সাব্বির   এবং   মিম পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সোফাসেটের কুশন বালিশ নিয়ে  ঘুমন্ত অবস্থায় নাকে-মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধকরে শাকিলকে হত্যা করে। অতিরিক্ত ঘুমের ঔষধ খাওয়ানোর ফলে শাকিল তেমনভাবে প্রতিরোধ করতে পারেনি। পুলিশ আরো জানায়, আসামী মিম ও সাব্বির ভিকটিম শাকিলকে হত্যার   বিষয়টি   ভিন্নখাতে   প্রভাবিত   করার   লক্ষ্যে   পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আসামী সাব্বির ওড়না দিয়ে মিমের দুই পা, শাকিলের পাঞ্চাবী দিয়ে মিমের দুই হাত এবং মিমের পরিহিত ওড়না দিয়ে মুখবেঁধে বাহিরের দরজার নিকট রেখে ঘরের দরজা বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে চলে যায়। এসময় সাব্বির মিমের সাথে গোপনে কথা বলারজন্য তাকে দেয়া মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়।

 গত ২৮ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী ও মুলাডুলি ইউনিয়নের পতিরাজপুর দুবলিয়াগ্রামের  ইব্রাহিম  হোসেনের   পুত্র  শাকিলের  লাশ   ভাড়া   বাসা  হতে উদ্ধার করা হয়। এসময়   পূর্বপরিকল্পিত   নাটকের  বর্ণনা   দিয়ে  স্ত্রী  মিম   জানায়,২জন  অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি শাকিলের  ভাড়া বাসায়  এসে  ডাকাডাকি করলে সে ঘরের দরজা খুলে দেয়। অজ্ঞাতনামারা জোরপূর্বক ঘরের মধ্যে ঢুকে মিমকে ২টি থাপ্পর মারে এবং বুকের নিচে একটি লাথি মারলে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। মিম রাত ৯টার দিকে জ্ঞান ফিরে দেখতে পায়।তখন তার হাত,পা ও মুখ কাপড় দ্বারা বাঁধা এবং ঘরের দরজা বাহিরথেকে আটকানো। মিম তার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় প্রতিবেশিদের সাহায্য পাওয়ার আশায় প্রায় ১ ঘন্টা  ধরে পা দিয়ে ঘরের দরজা  ও ওয়ারড্রপে   লাথি   মেরে   শব্দ   করতে   থাকে।   রাত   ১০   টার   দিকে   বাড়ীর মালিকের   স্ত্রী   নাজমা   বেগম   শব্দ   শুনে   শাকিলের   দরজার   বাহির   থেকে ছিটকিনি খুলো মিমের হাত,পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন। পরে আত্মিয়-স্বজনকে ঘটনা জানালে তারা ঘটনাস্থলে এসে দেখে শাকিলকে মৃত অবস্থায়  সামনে নিয়ে স্ত্রী মীম বসে আছে।এসময় তারা দ্রুত ঈশ্বরদী থানাকে অবহিত করেন।এ   ঘটনায়   নিহত   শাকিলের   মামা   কোরবান   আলী   বাদী   হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।



পাবনা পুলিশ সুপারের প্রেসবিফ্রিং পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হলোঃ- 


ব্যবসায়ী শাকিল হত্যাকান্ডের মূলরহস্য উদঘাটন এবং ঘটনার সহিত জড়িত ০২ জন আসামী আটক।

     ইং-২৮/০৫/২০২১ তারিখ রাত্রী অনুমান ১০.৩০ ঘটিকার সময় ঈশ্বরদী থানা পুলিশের নিকট সংবাদ আসে যে, ঈশ্বরদী থানাধীন রূপনগর কলেজপাড়া মহল্লায় জনৈক আহসান হাবীব এর বাড়ীর ২য় তলার ভাড়াটিয়া শাকিল আহমেদ (৩৫), পিতা-মোঃ ইব্রাহিম হোসেন প্রাং, সাং-দুবলাচারা (পতিরাজপুর), থানা-ঈশ্বরদী, জেলা-পাবনা খুন হইয়াছে। পুলিশ উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া দেখিতে পান যে শাকিলের মরদেহ তাহার শয়ন কক্ষের বিছানার উপরে চিৎ অবস্থায় পরে আছে এবং তাহার স্ত্রী মোছাঃ মিম খাতুন (২০) শাকিলের মৃতদেহের পার্শ্বে বসে আছে। মৃতের স্ত্রী মিম জানান রাত্রী অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় ০২জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি শাকিলের ভাড়া বাসায় আসিয়া শাকিলকে ডাকাডাকি করিলে শাকিলের স্ত্রী মিম ঘরের দরজা খুলে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আসামীদ্বয় জোরপূর্বক ঘরের মধ্যে প্রবেশ করিয়া মিমকে পরপর ০২টি থাপ্পর মারে এবং বুকের নিচে একটি লাথি মারিলে মিম অজ্ঞান হয়ে যায়। শাকিলের স্ত্রী ইং-২৮/০৫/২০২১ তারিখ রাত্রী অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় জ্ঞান ফিরে দেখতে পায় তাহার হাত,পা ও মুখ কাপড় দ্বারা বাঁধা এবং ঘরের দরজা বাহির থেকে আটকানো। মিম তার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় প্রতিবেশিদের সাহায্য পাবার আশায় প্রায় একঘন্টা যাবত দুই পা দিয়ে ঘরের দরজা ও ওয়ারড্রপে লাথি মারিয়া শব্দ করিতে থাকে। রাত্রী অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় উক্ত বাড়ীর মালিকের স্ত্রী মোছাঃ নাজমা বেগম ২য় তলায় শব্দ শুনিয়া শাকিলের দরজার নিকট গিয়ে দেখতে পান যে ঘরের দরজার বাহির থেকে ছিটকিনি লাগানো। তাহা দেখিয়া নাজমা বেগম শাকিলের ঘরের দরজার ছিটকিনি খুলিয়া দরজার পার্শ্বে শাকিলের স্ত্রী মিম হাত,পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন। তখন নাজমা বেগম মিমের হাত পায়ের বাঁধন খুলে দেন এবং চিৎকার করিয়া প্রতিবেশিদের ডাকেন। শাকিলের শয়ন কক্ষে গিয়া খাটের বিছানার উপর শাকিলের মৃতদেহ চিৎ অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন। শাকিলের মৃতদেহের ডান কাঁধের উপরে সামান্য ছেলা জখম ব্যতীত অন্যকোন জখম দেখা যায় নাই। এই ঘটনার বিষয়ে মৃত শাকিলের মামা মোঃ কোরবান আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শাকিলকে হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সুপার, পাবনা জনাব মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান, বিপিএম, মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় জনাব, মোঃ মাসুদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) ও জনাব,মোঃ ফিরোজ করিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ঈশ্বরদী সার্কেল, পাবনার নেতৃত্বে অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ হাদিউল ইসলাম সহ পুলিশের একটি চৌকশ টিম কাজ শুরু করিলে বিভিন্ন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ঘটনাটি উদঘাটনসহ ০২জন আসামীকে গ্রেফতার করেন। তদন্তকালে জানা যায় যে, মৃত শাকিলের স্ত্রী মিম এর সহিত শাকিলের ছোট ভাই সাব্বির এর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রহিয়াছে। এছাড়া শাকিলের সহিত শাকিলের পিতা-মাতা ও ভাইয়ের জমিজমা ও পুকুরে মাছ চাষের ভাগাভাগি লইয়া বিরোধ তৈরী হওয়ায় শাকিল একই বাড়ীতে অবস্থান করিয়া আলাদা ভাবে সংসার শুরু করে। শাকিল তার স্ত্রী মিম ও সাব্বির এর পরকীয়ার বিষয়টি আঁচ করতে পারিয়া শাকিলের স্ত্রী মিমকে তাহার দেবর সাব্বির এর সহিত কথা বলিতে নিষেধ করিয়া দেয়। কিন্তু সাব্বির গোপনে একটি মোবাইল ফোন মিমকে দেয় যা মিম লুকিয়ে রেখে শুধু মাত্র সাব্বির এর সাথেই গোপনে কথা বলিতো এবং প্রায় সময়ে তারা বাড়ী ফাঁকা পেলে ঘনিষ্ট ভাবে মিশতো। সাম্পতিক সময়ে আরো কিছু বিবাদকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে শাকিল গত ইং-১৯/০৫/২০২১ তারিখ তার স্ত্রীকে লইয়া ঈশ্বরদী থানাধীন রূপনগর কলেজপাড়া মহল্লায় জনৈক আহসান হাবীব এর বাড়ীর ২য় তলায় ভাড়াটিয়া হিসাবে উঠে। ইহাতে মিম এবং সাব্বির একে অপরের থেকে কিছুটা দূরে চলে যাওয়ায় তারা উভয়ই শাকিলের প্রতি মনেমনে ক্ষিপ্ত হয় এবং শাকিলকে হত্যার পরিকল্পনা করে। উক্ত পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শাকিলের স্ত্রী মিম ইং-২৭/০৫/২০২১ তারিখ রাত্রী অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় পানির সঙ্গে তিনটি ঘুমের ট্যাবলেট গুড়া করে মিশিয়ে শাকিলকে খাওয়ায়। ইং ২৮/০৫/২০২১ তারিখ শাকিল সারাটা দিন ঘরের মধ্যে শুধু ঘুমাইতে থাকে। সাব্বির ইং-২৮/০৫/২০২১ তারিখ সন্ধ্যার পর শাকিলের ভাড়া বাসায় যাবে মর্মে পূর্বেই মিমকে মোবাইল ফোনে জানাইয়াছিল। ঐদিন সন্ধ্যার পরে সাব্বির গোপনে শাকিলের বাসায় যায়। তখনো শাকিল ঘুমের ঔষধের প্রভাবে খাটের উপর শুয়ে ঘুমাচ্ছিল। সাব্বির এবং মিম পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শোফাসেট এর কুশন বালিশ লইয়া শাকিলের শয়ন কক্ষে প্রবেশ করিয়া শাকিলকে ঘুমন্ত অবস্থায় নাকে-মুখে বালিশ চাপা দিয়া শ্বাসরোধ করিয়া হত্যা করে। শাকিলকে অতিরিক্ত ঘুমের ঔষধ খাওয়ানোর ফলে শাকিল তেমন কোন প্রতিরোধ করিতে পারেনি। আসামী মিম ও সাব্বির ভিকটিম শাকিলকে হত্যা করিয়া বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার লক্ষ্যে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আসামী সাব্বির ওড়না দিয়ে মিম এর দুই পা, শাকিলের পাঞ্চাবী দিয়ে মিম এর দুই হাত এবং মিমের পরিহিত ওড়না দিয়ে মিম এর মুখ বেঁধে বাহির দরজার নিকট রেখে ঘরের দরজাটি বাহির থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে দিয়ে চলে যায়। এ সময় সাব্বির মিমের সঙ্গে গোপনে কথা বলার জন্য তাকে দেয়া মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায় এবং বাসার মেইন গেইটের চাবি বাসা থেকে নিয়ে গিয়ে মেইন গেইট খুলে বের হয়ে যাওয়ার সময় চাবিটি একবাসা পরে প্রাচীরের দেওয়ালের উপর রেখে দেয়। এই সংক্রান্তে আসামী মিম ও সাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়। সাব্বির এর নিকট থেকে মিম এর কথা বলার উক্ত গোপন মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। মিম এর দোষস্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে রের্কড করা হইয়াছে। এই ঘটনার সহিত আরো কোন আসামী জড়িত আছে কি না, তাহা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আসামী সাব্বির কে চারদিনের পুলিশ রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলাটি তদন্ত সমাপ্ত করে বিজ্ঞ আদালতে অভিযুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হইবে।


কোন মন্তব্য নেই