× প্রচ্ছদ পাবনা-৪ উপনির্বাচন ঈশ্বরদী পাবনা জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষাজ্ঞন বিনোদন খেলাধূলা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্বাচন কলাম ছবি ভিডিও রূপপুর এনপিপি
Smiley face করোনা ঈশ্বরদী পাবনা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা প্রযুক্তি বিনোদন শিক্ষা



রাজশাহী বিভাগে একই দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড


রাজশাহী বিভাগে এক দিনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত ও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাজমা আক্তারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৬৭৩ জনের। 

মারা গেছেন ১২ জন। গত বছর বিভাগে সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত এক দিনে এতসংখ্যক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটল।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের আট জেলায় পিসিআর ল্যাব, র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন ও জিন এক্সপার্ট মেশিনে মোট ৪ হাজার ১৩৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে ৬৭৩ জনের করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ২৬ শতাংশ। গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী শনাক্তের সংখ্যা ৬০৭। গত ৫ জুন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১১। নতুন শনাক্ত ও মৃত্যু মিলিয়ে বিভাগে এর মোট সংখ্যা যথাক্রমে ৩৯ হাজার ১০৪ এবং ৬০৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন।

রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মঙ্গলবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী সোমবার সকাল আটটা থেকে মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রাজশাহী জেলার ২৯৯ জন। 

এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৮৯, নওগাঁয় ৩৬, নাটোরে ৪২, জয়পুরহাটে ৫২, বগুড়ায় ২৫, সিরাজগঞ্জে ১৭ ও পাবনার বাসিন্দা ১৩ জন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁর তিনজন করে। এ ছাড়া একজন করে রাজশাহী, নাটোর ও জয়পুরহাটের বাসিন্দা।

বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক বগুড়ার, ৩২১ জন। রাজশাহীতে মারা গেছেন ৯৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯, নওগাঁয় ৪৮, নাটোরে ২৮, জয়পুরহাটে ১৩, সিরাজগঞ্জে ২৪ ও পাবনায় ২২ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসের প্রথম সাত দিনে মারা গেছেন ৫১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৪৭ জন। বর্তমানে বিভাগের আট জেলায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪ হাজার ৮৭ জন। এর মধ্যে ৩২ জন ভর্তি হয়েছেন গত ২৪ ঘণ্টায়।

সহকারী পরিচালক নাজমা আক্তার বলেন, বিভাগের সব জেলায় র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এ কারণে শনাক্তের পরিমাণ বাড়ছে। তবে বিভাগের অনেক জেলায় শনাক্তের হার কমছে।


কোন মন্তব্য নেই