ঢাকাসোমবার , ১০ জানুয়ারি ২০২২

ক্ষুদ্ধ রেলের রানিং ষ্টাফদের ট্রেন চালানো বন্ধের আলটিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
জানুয়ারি ১০, ২০২২ ১১:২১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বেতন-ভাতা না পাওয়ায় বিক্ষুদ্ধ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের রানিং ষ্টাফ । ১০ জানুয়ারীর মধ্যে বেতন-ভাতা সম্পূর্ণ প্রদান না করা হলে বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং ষ্টাফ ও শ্রমিক-কর্মচারী সমিতি ১১ জানুয়ারী হতে ট্রেন চালানো বন্ধ করে করে দেয়ার আলটিমেটাম দিয়েছেন। রবিবার (৯ জানুয়ারী) রাতে সমিতির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এই খবর জানিয়েছেন। রেলের রানিং ষ্টাফদের মধ্যে বিশেষ করে পশ্চিম রেলের সকল শাখার লোকোমাষ্টার ও সহকারী লোকোমাস্টাররা (ট্রেনচালক) দ্রæত দাবী বাস্তবায়নের জন্য হার্ডলাইনে অবস্থান করছেন।
জানা যায়, গত ৬ জানুয়ারী ০১/২২ স্মারকে রেলের রানিং ষ্টাফরা ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসের বেতন-ভাতা ১০ জানুয়ারীর মধ্যে প্রদানের জন্য পশ্চিম রেলের পাকশী বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলীর (লোকো) এর নিকট লিখিত আবেদন জানান। আবেদনে বলা হয়, লালমনিরহাট বিভাগের কিছু কিছু রানিং ষ্টাফদের নভেম্বরের নিয়মিত বেতন বিলের সাথে বাসা ভাড়া প্রদান করা হয়নি। বাজেটে অপ্রতুলতার অজুহাতে পাকশী বিভাগের রানিং ষ্টাফদের বেতন এখনও অনুমোদন না করায় তারা বিক্ষুব্ধ ও আতংকিত। এই অবস্থায় ১০ জানুয়ারীর মধ্যে সংস্থাপন কোড ও রানিং সেড ম্যানুয়েলের বিধি মোতাবেক অর্জিত মাইলেজ ও প্রাপ্য সকল ভাতাদি ডিসেম্বরের বেতন বিলে পরিশোধ না হলে ট্রেন চালনা হতে বিরত থাকবেন বলে জানানো হয়।
লিখিত বিবৃতিতে রানিং ষ্টাফরা আরও জানান, বেতন ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করে ২০২০ এর জুলাই হতে পে অফিসের পরিবর্তে এখন ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন প্রদান করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য ছিলে যাতে রেল কর্মচারীরা প্রতি মাসের ১ তারিখের মধ্যে যাতে বেতন পায়। কিন্তু এখন নির্ধরিত সময়ে বেতন না পাওয়ায় লোকোমাষ্টাররা বিড়ম্বনার স্বীকার হচ্ছে। ট্রেন চলাচল বন্ধ হলে এর দায়ভার সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলে ট্রেনচালক ও সহকারীরা জানিয়েছেন।
রানিং ষ্টাফ সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা গত ৪ জানুয়ারী মৌখিক ভাবে এবং ৬ জানুয়ারী লিখিতভাবে আলটিমেটাম দেওয়ার পর কর্তৃপক্ষ সোমবার (১০ জানুয়ারী) পর্যন্ত কোন উদ্যোগ নেয়নি এবং আলোচনাও করেননি। বিধায় আমরা আলটিমেটাম বাস্তবায়নে অটল রয়েছি।
রেলওয়ের বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলীর (লোকো) আশিষ কুমার মন্ডল সোমবার সকালে জানান, বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বাবদ অর্থ অপ্রতুল থাকায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পাকশী ও লালমনিরহাট ডিভিশনে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের (ডিআরএম) সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। দ্রুত অর্থ সংস্থানের জন্য আমরা ঢাকা রেল ভবনেও যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। রানিং ষ্টাফদের সাথে বসে আলোচনা করার চেয়ে তাদের সমস্য সমাধানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি বলে জানান তিনি।

 

error: Please Stop!!You can not copy this content becuase this site content is under protection. Thank You Itihas24 Developer Team