ঢাকাশুক্রবার , ১৪ জানুয়ারি ২০২২

ঈশ্বরদীতে ‍যুবদল নেতা টনি বিশ্বাস ও সাবেক ছাত্রদল নেতা নয়নের ওপর হামলাকারীদের শাস্তি দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
জানুয়ারি ১৪, ২০২২ ৮:৫০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঈশ্বরদী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সুলতান আলী বিশ্বাস টনি ও বিগত ঈশ্বরদী পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম নয়নের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) ঈশ্বরদী শহরের হাসপাতাল রোডের জিগাতলায় নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন রফিকুল ইসলাম নয়ন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রফিকুল ইসলাম নয়ন বলেন,  বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় ঈশ্বরদী পৌর এলাকার উমিরপুরে উপজেলা ‍যুবদলের আহবায়ক সুলতান আলী বিশ্বাস টনির নির্মানাধীন বাড়িতে পৌর যুবদলের আহবায়ক জাকির হোসেন জুয়েল ও যুবদল নেতা সোনা মনি’র নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়ে টনি বিশ্বাসকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে মারাত্মক আহত অবস্থায় ​জয়নগর শিমুলতলা খায়রুল ফিলিং স্টেশনের সামনে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী ‍উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে এলে শত শত দলীয় নেতাকর্মীরা টনি বিশ্বাসের ওপর  হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি  হাসপাতাল গেটের সামনে থেকে পোষ্ট অফিস মোড় হয়ে রেলগেট ট্রাফিক মোড়ে এসে পথসভার মধ্যদিয়ে শেষ হয়। পথসভা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে  জাকির হোসেন জুয়েলের নেতৃত্বে সোনামনি, রিপনসহ একদল সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা চালায় এবং আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে। একপর্যায়ে আমার সঙ্গে থাকা দলীয় নেতাকর্মীরা আমাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আমি বাড়ি ফিরে আসি।

রফিকুল ইসলাম নয়ন  বলেন, ঈশ্বরদী উপজেলা যুবদলের সভাপতি সুলতান আলী বিশ্বাস টনি  আগামী ১৫ জানুয়ারি উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি গঠনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। এ কমিটি ঘোষণাকে বাধাগ্রস্ত করতেই মূলতঃ তাঁর উপর হামলা চালানো হয়েছে।

নয়ন বলেন, হামলাকারীরা ঈশ্বরদীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের দলীয় কর্মী হিসেবে মানি না কারণ বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জাতীয় সংসদ উপনির্বাচন, উপজেলা পরিষদ উপনির্বাচন, ঈশ্বরদী পৌরসভা নির্বাচন সহ বিগত ৮টি নির্বাচনে তারা  বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের বিরোধীতা করেছেন। এসব সন্ত্রাসীরা দলের হাইকমান্ডের নির্দেশনা মানেন না। তারা দলের চেয়ারপার্সনের ছবি সম্বলিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পোষ্টার ও ছবি প্রকাশ্যে পুড়িয়েছে। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে জনসমাবেশ করে ধানের শীষের প্রার্থীকে বয়কট করেছে।  তাই এরা বিএনপি বা দলের অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী হতে পারে না।  আমি এসব হামলাকারী সন্ত্রাসীদের শাস্তি দাবি করছি।

সাংবাদিকদের  এক প্রশ্নের জবাবে নয়ন বলেন, সুলতান আলী বিশ্বাস টনি এখন জিয়াউর রহমানের আদর্শের রাজনীতি  করেন। তিনি কোন ভাইয়ের রাজনীতি করেন না। এটাই তার অপরাধ। টনি বিশ্বাস এখন ঢাকায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। টনি বিশ্বাস এবং আমি নিজেও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবো। এ মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী পৌর বিএনপি নেতা দুলাল মন্ডল, আবু বক্কর সিদ্দিক, আওলাদ হোসেন কিরণ, পৌর ‍যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আতিকুর রহমান, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মোস্তফা, ছাত্রদল নেতা খালিদ বিন পার্থিব,  জিয়াউর রহমান জিয়া, সাজ্জাদ হোসেন ও সম্রাট হোসেন প্রমূখ।

error: Please Stop!!You can not copy this content becuase this site content is under protection. Thank You Itihas24 Developer Team