টানা সাতদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা » Itihas24.com
ঈশ্বরদী১৭ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
ঈশ্বরদীর সবশেষ নিউজ । ইতিহাস টুয়েন্টিফোর

টানা সাতদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

বিশেষ প্রতিবেদক
আগস্ট ১৪, ২০২২ ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ আরো শক্তিশালী হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপের পর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে রোববার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, এ বৃষ্টি চলতি সপ্তাহজুড়েই অব্যাহত থাকতে পারে।
পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২ থেকে ৪ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য দেশের চার সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত এবং নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, সাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে সপ্তাহজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হবে। তবে থেমে থেমে হবে। এছাড়া উপকূলীয় এলাকা— বিশেষ করে চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি প্রথমে সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং পরে নিম্নচাপ আকারে উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের অদূরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। এটি আরো উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য বিরাজ করছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
মৌসুমী বায়ু দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বৃষ্টির কারণে দক্ষিণাঞ্চলে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। অন্যত্র তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
পূর্ণিমা ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২ থেকে ৪ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

author avatar
SK Mohoshin

বিজ্ঞাপন

BONOLOTA IT POS ads