ঈশ্বরদীর সবশেষ নিউজ । ইতিহাস টুয়েন্টিফোর
ঢাকামঙ্গলবার , ১৮ অক্টোবর ২০২২

রূপপুর প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ১৮, ২০২২ ১০:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঈশ্বরদীতে নির্মানাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের মূল যন্ত্র রিয়াক্টর প্রেসার ভেসেল বা পরমাণু চুল্লিপাত্র বসছে আগামীকাল বুধবার। ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের মূলযন্ত্র রিঅ্যাক্টর প্রেশার ভেসেল (পারমাণবিক চুল্লি) স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন।

অনুষ্ঠানকে বর্ণাঢ্য করার জন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সবার মধ্যে কর্মব্যস্ততা দেখা গেছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাশিয়ার পরমাণু শক্তি সংস্থা রসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ। তিনি বুধবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা হতে অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।

অনুষ্ঠানকে সফল করতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান রূপপুরে অবস্থান করছেন।

মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রূপপুর এসে পৌঁছেছেন। ইতিমধ্যে রাশিয়া থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও রুশ সাংবাদিকরা আসতে শুরু করেছেন। সরাসরি এই চুল্লি স্থাপন সম্প্রচারের জন্য প্রায় ৫০ জন সংবাদকর্মী ঢাকা থেকে ঈশ্বরদীতে এসেছেন বলে জানা গেছে।
প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর বলেন, প্রথম ইউনিটের ৭৫ ভাগ ভৌত-অবকাঠামো কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় ইউনিটের কাজও দ্রতগতিতে এগিয়ে নেওয়ায় এখানে রি-অ্যাক্টর প্রেশার ভেসেল স্থাপন হচ্ছে।

এর আগে গতবছর ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম ইউনিটের রি-অ্যাক্টর প্রেশার ভেসেল বা পরমাণু চুল্লিপাত্র স্থাপন উদ্বোধন করেছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। প্রতিদিন তিন শিফটে দেশিবিদেশি প্রায় ২৫-২৬ হাজার মানুষ এ প্রকল্পে দিনরাত কাজ করেছেন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা আণবিক শক্তি করপোরেশন রসাটমের সহযোগিতায় ঈশ্বরদীর রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী থার্ড প্লাস জেনারেশনের ১২০০ + ১,২০০ ইউনিটের মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি ইউনিটের কাজ দ্রæতগতিতে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্প শেষ করার ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হ

error: Please Stop!!You can not copy this content becuase this site content is under protection. Thank You Itihas24 Developer Team